বছরের পর বছর একটা কথা শুনে এসেছেন আপনি — Argentina-তে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া একেবারে ফ্রি। দেশি শিক্ষার্থী হোক বা বিদেশি, টিউশন ফি লাগে না। বাংলাদেশের অনেক কনসালটেন্সির পাতায় আজও সেই লাইনটাই বসানো আছে। অথচ ২০২৫ সালের মে মাসে Argentina সরকার নিয়মটা বদলে দিয়েছে, আর যাঁরা এই দেশটা বাংলাদেশি পরিবারের কাছে বিক্রি করছেন, তাঁদের প্রায় কেউই পাতাটা হালনাগাদ করেননি।
২০২৭ সালে বাংলাদেশ থেকে Argentina স্টুডেন্ট ভিসা মানে দুই ধাপের পথ — প্রথমে ঢাকার Argentina দূতাবাসে স্টুডেন্ট এন্ট্রি ভিসার আবেদন, তারপর দেশে পৌঁছানোর পর Argentina-র ভেতর থেকে RaDEX সিস্টেমে স্টুডেন্ট রেসিডেন্সের আবেদন। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্রি টিউশন এখন আর স্থায়ী বাসিন্দা ছাড়া সবার জন্য নয়।
২০২৭ সালে বাংলাদেশ থেকে Argentina স্টুডেন্ট ভিসা আসলে কী?
এটা একটা অনুমতি নয়, দুটো। Argentina দেশে ঢোকার ভিসা আর সেখানে থেকে পড়ার রেসিডেন্স — এই দুটোকে আলাদা রেখেছে, এবং দ্বিতীয়টা বাংলাদেশ থেকে কোনোভাবেই নেওয়া যায় না। Argentina-র পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্টুডেন্ট ভিসাকে দুই ভাগে দেখায় — ৩৬৫ দিনের কম পড়াশোনার জন্য এক ধরন, আর তার বেশি সময়ের জন্য আরেক ধরন। মন্ত্রণালয় স্পষ্টই বলছে, আবেদন কেবল আবেদনকারীর নিজের বসবাসের দেশে অবস্থিত Argentina কনস্যুলার অফিসেই জমা দেওয়া যাবে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর জন্য সেটা ঢাকা।
দ্বিতীয় ধাপের নাম residencia transitoria como estudiante। Argentina-র জাতীয় অভিবাসন অধিদপ্তর পরিষ্কার করে লিখে রেখেছে, এই আবেদন RaDEX-এ অনলাইনে করতে হয় এবং সেটা করতে হয় Argentina-র ভূখণ্ডের ভেতরে থেকে; এরপর সশরীরে একটি অ্যাপয়েন্টমেন্টে যেতে হয়। এর সর্বোচ্চ মেয়াদ এক বছর, তবে নবায়ন করা যায়। পাতাটি সর্বশেষ হালনাগাদ হয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
এই ভাগাভাগিটা বোঝা যতটা সহজ শোনায়, গুরুত্ব তার চেয়ে অনেক বেশি। যে শিক্ষার্থী ভাবেন ঢাকার ভিসাটাই পুরো অনুমতি, তিনি এমন একটা দেশে নামেন যেখানে ঘড়ি চলতে শুরু করেছে আর কাগজপত্র এখনো জমা বাকি — তার মধ্যে একটা কাগজ আছে, যা দেশে পৌঁছানোর পরেই তোলা সম্ভব।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর জন্য Argentina-র সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কি এখনো ফ্রি?
বিজ্ঞাপনে যেভাবে বলা হয়, সেভাবে নয়। ২৯ মে ২০২৫ তারিখে Argentina প্রকাশ করেছে DNU ৩৬৬/২০২৫ — অভিবাসন আইন সংস্কারের একটি ডিক্রি, যা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনা খরচে পড়ার সুযোগ আর সরকারি স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ সীমিত করেছে কেবল স্থায়ী বাসিন্দাদের জন্য। এক বছরের ট্রানজিশনাল স্টুডেন্ট রেসিডেন্স নিয়ে থাকা একজন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী সংজ্ঞা অনুযায়ীই স্থায়ী বাসিন্দা নন।
DNU ৩৬৬/২০২৫ (প্রকাশ ২৯ মে ২০২৫) সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্রি পড়াশোনা আর ফ্রি সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেবল স্থায়ী বাসিন্দাদের জন্য রেখেছে, এবং স্থায়ী নন এমন বাসিন্দাদের দেশে ঢুকতে ও থাকতে স্বাস্থ্যবিমা রাখা বাধ্যতামূলক করেছে। বাংলাদেশের যেসব কনসালটেন্সির পাতায় লেখা আছে "Argentina-তে সবার জন্য ফ্রি বিশ্ববিদ্যালয়", তারা আসলে এই ডিক্রির আগের অবস্থাটা বর্ণনা করছে।
তবে সত্যি বলতে, টাকার অঙ্কটা আমরা আপনাকে দিতে পারছি না। ডিক্রিটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে স্থায়ী-নন বাসিন্দাদের কাছ থেকে ফি নেওয়ার সুযোগ দিয়েছে; কোনো নির্দিষ্ট ফি নিজে ঠিক করে দেয়নি। সিদ্ধান্তটা প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজের। ২০২৬ সাল জুড়ে এটা Argentina-য় প্রকাশ্য রাজনৈতিক বিতর্কের বিষয় হয়ে আছে — ২০২৬ সালের জুলাইয়ের শেষে কেন্দ্রীয় সরকার আর University of Buenos Aires প্রকাশ্যে তর্কে জড়ায় সরকারি মেডিকেল ফ্যাকাল্টিতে কত শতাংশ শিক্ষার্থী বিদেশি, তা নিয়ে; UBA-র উপ-উপাচার্য সরকারের দেওয়া হিসাব নাকচ করে দেন। অর্থাৎ ২০২৭ সালের ইনটেকের পরিকল্পনা করা শিক্ষার্থী স্থিতিশীল কোনো পরিস্থিতিতে ঢুকছেন না।
বাংলাদেশ থেকে Argentina স্টুডেন্ট ভিসা কোন দূতাবাস দেখে?
ঢাকার নিজের দূতাবাসই — আর এটা সত্যিই ব্যতিক্রম। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে কম খরচের যেসব গন্তব্য বিক্রি হয়, তার বেশিরভাগের জন্যই নয়াদিল্লি যেতে হয়। Argentina-র ক্ষেত্রে হয় না। বাংলাদেশে Argentina দূতাবাসের ঠিকানা প্লট ৫০, রোড ২৩, ১ম তলা, ব্লক বি, বনানী, ঢাকা ১২১৩; ফোন +৮৮০ ২৫৫০৩৫৯১৮, ইমেইল ebang@cancilleria.gov.ar — তথ্যটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব ডোমেইনে দেওয়া।
এতে এই রুটগুলোর সবচেয়ে বড় লুকানো খরচটা বাদ যায়: ভারতের ট্রানজিট ভিসা, বিমানভাড়া, হোটেলের রাত, আর কোনো কাগজ বাতিল হলে দ্বিতীয়বার যাওয়ার ঝুঁকি। Peru-র তুলনায় এটা Argentina-র একটা বাস্তব সুবিধা, কারণ Peru-র ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পড়ে নয়াদিল্লির Peru দূতাবাসের অধীনে।

Argentina-র কাগজে অ্যাপোস্টিল কেন কাজে আসবে না?
কারণ যে অল্প কয়েকটি দেশ বাংলাদেশের অ্যাপোস্টিল ব্যবস্থায় ঢোকার আপত্তি জানিয়েছে, Argentina তার একটি। বাংলাদেশ ১৯৬১ সালের হেগ অ্যাপোস্টিল কনভেনশনে যুক্ত হয়েছে ৩০ মার্চ ২০২৫ থেকে — সত্যিকারের একটা অর্জন, যা পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশের জন্য কাগজ সত্যায়নের ঝামেলা কমিয়ে দিয়েছে। কিন্তু ১২টি দেশ সেই যোগদানে আপত্তি জানায়, আর Argentina আপত্তি জানিয়েছে ২৪ জানুয়ারি ২০২৫ — সঙ্গে ছিল Germany, Czech Republic, Austria, Finland, Belgium, Netherlands, Estonia, Greece, France, Denmark আর Lithuania।
এর ফল খুব সরল, আর খরচের দিক থেকে ভারী: বাংলাদেশ থেকে নেওয়া অ্যাপোস্টিল স্টিকার Argentina-তে চলবে না। আপনার সার্টিফিকেটগুলোকে বরং পুরনো কনস্যুলার লিগালাইজেশনের ধাপগুলো পেরোতে হবে। কোনো এজেন্ট যদি কোনো পরিবারকে বলেন "বাংলাদেশ তো কনভেনশনে ঢুকে গেছে, শুধু অ্যাপোস্টিল করিয়ে নিন" — সেই পরামর্শ বেশিরভাগ দেশের জন্য ঠিক, কিন্তু এই দেশের জন্য ভুল।
বাংলাদেশের অ্যাপোস্টিল ৩০ মার্চ ২০২৫ থেকে কার্যকর এবং পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশ তা মানে। আপত্তি জানানো ১২টি দেশে, যার মধ্যে Argentina আছে, কাগজ এখনো কনস্যুলার লিগালাইজেশনের পথেই যায়। আজকের তিনটি দেশের মধ্যে বাকি দুটির অবস্থা আলাদা — Algeria ৯ জুলাই ২০২৬ থেকে বাংলাদেশি অ্যাপোস্টিল নিচ্ছে, আর Peru নিচ্ছে ২০১০ সালে নিজেদের যোগদান কার্যকর হওয়ার পর থেকেই।
Argentina নিয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা কোথায় ভুল করেন?
ঢাকায় যা প্রচলিত আর Argentina সরকার যা প্রকাশ করে — এই দুইয়ের ফাঁক Argentina-র ক্ষেত্রে আমাদের দেখা প্রায় যেকোনো দেশের চেয়ে বড়। দাবি ধরে ধরে সৎ হিসাবটা নিচে দেওয়া হলো।
| দাবি | অবস্থা | সূত্র যা বলছে |
|---|---|---|
| সব বিদেশির জন্য ফ্রি | পুরনো | DNU ৩৬৬/২০২৫ ফ্রি সুবিধা কেবল স্থায়ী বাসিন্দাদের জন্য রেখেছে |
| অ্যাপোস্টিলই যথেষ্ট | ভুল | Argentina ২৪ জানুয়ারি ২০২৫-এ আপত্তি জানিয়েছে |
| নয়াদিল্লি যেতে হবে | ভুল | Argentina দূতাবাস বনানী, ঢাকায় আছে |
| রেসিডেন্স বিদেশেই মেলে | আংশিক | এন্ট্রি ভিসা বিদেশে; রেসিডেন্স Argentina-য় RaDEX-এ |
| ইংরেজিতে পড়ানো হয় | বিরল | সরকারি স্নাতক পড়ানো হয় স্পেনিশে |
| স্বাস্থ্যসেবা ফ্রি | বদলেছে | স্থায়ী নন বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যবিমা রাখতে হবে |
দুই ধাপের প্রক্রিয়াটা আসলে কীভাবে চলে?
স্টুডেন্ট রেসিডেন্সের জন্য অভিবাসন অধিদপ্তর যে কাগজ চায়
- বৈধ পাসপোর্ট
- Argentina-র পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট (১৬ বছর ও তার বেশি বয়সে)
- বিদেশের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, যদি গত তিন বছরে এক বছর বা বেশি সময় বিদেশে থেকে থাকেন
- Argentina-য় ঠিকানার প্রমাণ
- নিয়মিত আয় বা খরচ চালানোর সামর্থ্যের প্রমাণ
- ইলেকট্রনিক ভর্তির সনদ (Constancia de Inscripción Electrónica), নিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য
- অপ্রাপ্তবয়স্ক আবেদনকারীর ক্ষেত্রে নোটারি করা অভিভাবকের সম্মতি ও জন্মসনদ
২০২৭ সালে Argentina-য় পড়তে খরচ কত?
এখানে আমাদের সাবধান হতে হবে, আর আত্মবিশ্বাসী শোনানোর চেয়ে সাবধান থাকাই ভালো। Argentina-র মূল্যস্ফীতি আর বিনিময় হারের ওঠানামায় পেসোর যেকোনো অঙ্ক কয়েক মাসেই অর্থ হারায়, আর স্থায়ী নন বাসিন্দাদের স্নাতক ফি এখনো বিশ্ববিদ্যালয় ধরে ধরে ঠিক হচ্ছে।
যা প্রকাশিত ও যাচাইযোগ্য: University of Buenos Aires-এর মেডিকেল ফ্যাকাল্টির ২০২৫ সালের ফি তালিকায় বিদেশিদের জন্য আলাদা একটি অ্যানেক্স আছে — প্রি-রেজিস্ট্রেশন ২৪,০০০ পেসো, আর বিদেশি শিক্ষার্থীদের বেশিরভাগ স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে বছরে ২৪ লাখ পেসো, বার্ষিক ভর্তি ফি প্রোগ্রাম খরচের ৩০ শতাংশ। এগুলো স্নাতকোত্তর পর্যায়ের অঙ্ক, আর নথিটির তারিখ ২০২৫ সালের শুরুর দিক। UBA-তে স্থায়ী নন বাসিন্দাদের স্নাতক টিউশনের কোনো প্রকাশিত অঙ্ক আমরা পাইনি, তাই বানিয়ে কিছু বলছি না।
টাকা দেওয়ার আগে যাচাই করুন। লেখার সময় পর্যন্ত অনিশ্চিত: ট্রানজিশনাল স্টুডেন্ট রেসিডেন্সে কাজ করার অনুমতি আছে কি না (অভিবাসন অধিদপ্তরের পাতা এ নিয়ে কিছু বলে না), অভিবাসন ফি-র বর্তমান অঙ্ক (আলাদা cuadro de tasas migratorias-এ প্রকাশিত), কোন কোন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আসলে স্থায়ী নন বাসিন্দাদের কাছ থেকে ফি নিতে শুরু করেছে, এবং স্নাতক পর্যায়ের ফি কত। টাকা পাঠানো বা টিকিট কাটার আগে প্রতিটি বিষয় ঢাকার Argentina দূতাবাস ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছ থেকে লিখিতভাবে নিশ্চিত করুন।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর জন্য Argentina কি বাস্তবসম্মত?
একটা নির্দিষ্ট ধরনের শিক্ষার্থীর জন্য, হ্যাঁ। যদি আপনার স্পেনিশ আগে থেকেই থাকে, কিংবা একটা বছর দিয়ে ভাষাটা শেখার সত্যিকারের ইচ্ছা থাকে, তাহলে Argentina দিচ্ছে বড় একটা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থা, ঢাকায় দূতাবাস যা নয়াদিল্লির ঝামেলা বাঁচায়, আর পশ্চিম ইউরোপের চেয়ে অনেক কম জীবনযাত্রার খরচ। কিন্তু যাঁর পরিকল্পনা ছিল "ফ্রি ডিগ্রি, ইংরেজিতে পড়া, সহজ ভিসা" — ২০২৭ সালের Argentina সেই দেশ নয়, আর পুরোপুরি কখনোই ছিল না।
Eduvisa-তে আমরা যা দেখি, তা হলো — ক্ষতিটা সাধারণত তাঁদের হয় না যাঁরা কঠিন দেশ বেছেছেন। ক্ষতি হয় তাঁদের, যাঁরা তিন বছর আগে সত্যি ছিল এমন একটা দাবির ওপর ভর করে দেশ বেছেছেন। Argentina এই মুহূর্তে তার সবচেয়ে পরিষ্কার উদাহরণ: ফ্রি টিউশনের কথাটা ২৯ মে ২০২৫-এর আগে ঠিক ছিল, আর আজও সেটা বিক্রি হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ২০২৭ সালে বাংলাদেশ থেকে কম খরচে বিদেশে পড়ার উপায় আর বিদেশের ভুয়া বিশ্ববিদ্যালয় চেনার উপায়। Spanish নিয়ে দুশ্চিন্তা থাকলে South Africa আর Thailand-এর গাইড দুটি দেখুন — কম খরচের এই দুই দেশে পড়াশুনা ইংরেজিতেই হয়।
নিজে পড়ে দেখার মতো সরকারি সূত্র: Argentina-র স্টুডেন্ট ট্রানজিশনাল রেসিডেন্স পাতা এবং হেগ অ্যাপোস্টিল কনভেনশনের স্টেটাস টেবিল।
লক্ষ করুন: এটি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ব্লগ গবেষণা, Eduvisa এই মুহূর্তে Argentina-র আবেদন প্রক্রিয়া করে — এমন কোনো প্রতিশ্রুতি নয়।
Argentina আপনার ফাইলের সঙ্গে যায় কি না, বুঝতে পারছেন না?
দেশের নিয়ম যত দ্রুত বদলায়, কোনো ব্লগ তত দ্রুত হালনাগাদ হতে পারে না। আর আপনার কেস ঠিক করে দেয় যে জিনিসগুলো, সেগুলো সবসময়ই ব্যক্তিগত — আপনার ফলাফল, হাতের টাকা, ভাষার দখল, সময়ের হিসাব। কাগজপত্র নিয়ে আমাদের অফিসে আসুন, আমরা ধরে ধরে দেখে দেব, আর অন্য কোনো দেশ আপনার জন্য বেশি ভালো হলে সেটাও সোজা বলে দেব।
ফ্রি পরামর্শ বুক করুন →