Certificate of Eligibility হাতে ছিল। ভর্তির চিঠি, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ট্যাক্সের কাগজ — সবই ছিল একটা প্লাস্টিকের ফাইলে, আগের রাতে মা যেটা ইস্ত্রি করে সমান করে দিয়েছিলেন। ছেলেটি Baridhara-য় Embassy-র গেটে পৌঁছাল বারোটা দশে, আর ভদ্রভাবে তাকে বলা হলো — আজ নয়, আরেক দিন আসুন। কেউ তাকে বলেনি যে Bangladesh-এ Japan-এর student visa জমা নেওয়ার সময় সকাল সাড়ে এগারোটায় শেষ হয়ে যায়।
২০২৭ সালে Bangladesh থেকে Japan-এর student visa-র ব্যাপারটাই এমন অদ্ভুত। কাগজে-কলমে Japan সবচেয়ে সস্তা গন্তব্যগুলোর একটি — Embassy-র নিজের ভিসা পাতাতেই লেখা আছে, Bangladeshi নাগরিকদের জন্য কোনো ফি নেই। অথচ বাস্তবে এটি সবচেয়ে কম ক্ষমাশীল দেশগুলোর একটি। খরচটা টাকায় নয়। খরচটা হলো একটা সকালকে নিখুঁতভাবে সামলানো।
Embassy of Japan in Bangladesh বলছে, Bangladeshi নাগরিকদের জন্য ভিসা ফি নেই। আগে Japan-এর প্রতিষ্ঠান আপনার হয়ে Certificate of Eligibility (COE)-র আবেদন করবে, তারপর আপনাকে নিজে Baridhara-য় সকাল ৯টা ৩০ থেকে ১১টা ৩০-এর মধ্যে জমা দিতে হবে — ইন্টারভিউ ওই একই দিনে। একবার রিফিউজ হলে ছয় মাস না পেরোনো পর্যন্ত Embassy নতুন আবেদন না-ও নিতে পারে।
Bangladesh থেকে Japan-এর student visa-তে খরচ কত?
Embassy of Japan-এর নিজের ভিসা তথ্যপাতায় উত্তরটা এক লাইনের। "Fee" শিরোনামের নিচে পরিষ্কার লেখা — "No fee for Bangladesh national. Other national, ask the Embassy." দেশ বাছাই করছেন এমন পরিবারের জন্য এই একটা লাইন দুবার পড়ার মতো। UK-র student visa-তে হেলথ সারচার্জ বাদেই লাগে ৫৫৮ পাউন্ড। Germany আপনার দিকে তাকানোর আগেই জার্মান অ্যাকাউন্টে প্রায় ১১,৯০৪ ইউরো ব্লক করতে বলে। Japan কাউন্টারে এসবের কিছুই চায় না।
তবে Japan টাকাটা চায় আরও আগে, আর চায় প্রতিষ্ঠানের হাতে। আপনার Certificate of Eligibility-র আবেদন Japan-এ করে সেই প্রতিষ্ঠান, যারা আপনাকে ভর্তি নিয়েছে — আর language school-গুলো সাধারণত সেই আবেদন করার আগেই টিউশন বা মোটা অঙ্কের জমা চায়। মানে ভিসা ফ্রি, কিন্তু বছরটা নয়। আর টাকা নড়ে Embassy আপনার ফাইল দেখারও কয়েক মাস আগে।
বাজেট নয়, ঝুঁকির হিসাবটা বদলায়। বেশিরভাগ দেশে রিফিউজ হলে একটা অফেরতযোগ্য ফি যায়। Japan-এ রিফিউজ হলে যেটা যায় সেটা আরও দামি — Embassy বলছে, ছয় মাস না পেরোনো পর্যন্ত তারা নতুন আবেদন ফিরিয়ে দিতে পারে। April-এর intake হাতছাড়া হলে সামনে October, নয়তো পরের April।
Baridhara-য় Embassy-তে আবেদনের দিন আসলে কী হয়?
সব হয় এক দফাতেই, আর দফাটা ছোট। Embassy-র প্রকাশিত পদ্ধতিতে জমা দেওয়ার সময় প্রতি কর্মদিবস সকাল ৯টা ৩০ থেকে ১১টা ৩০, এবং আবেদনকারীকে নিজে — বাবা-মা নয়, এজেন্ট নয়। ইন্টারভিউ হয় জমা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই; আলাদা কোনো অ্যাপয়েন্টমেন্টের প্রস্তুতি নেই। শেষে আপনাকে একটা application receipt দেওয়া হয়, আর নির্দিষ্ট দিনে দুপুর ২টা ৩০ থেকে ৩টা ৩০-এর মধ্যে পাসপোর্ট ও মূল কাগজপত্র ফেরত আসে।
Embassy-র কর্মসপ্তাহ রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার, অফিস সময় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা, দুপুরের বিরতি সাড়ে বারোটা থেকে দেড়টা। পাসপোর্ট আনতে অন্য কাউকে পাঠালে তার হাতে receipt আর আপনার বৈধ স্বাক্ষরসহ অনুমতিপত্র থাকতে হবে। আর Embassy স্পষ্ট করেই বলে দিয়েছে — কাগজ অসম্পূর্ণ থাকলে আবেদন গ্রহণই করা হবে না। আটকে রাখা হয় না, পরে ঠিক করে নেওয়ার সুযোগও থাকে না।
Certificate of Eligibility জিনিসটা কী, আর আবেদন করে কে?
এখানেই বেশিরভাগ পরিবারের সময় নষ্ট হয়। Certificate of Eligibility আপনি Embassy-তে গিয়ে চাইতে পারেন না। এটি Japan-এ ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ইস্যু করে, আর ভর্তি নেওয়ার পর প্রতিষ্ঠানই আপনার হয়ে আবেদন করে। COE হাতে আসার পরই কেবল Bangladesh-এ ভিসার কাজ শুরু।
Embassy-র কাগজপত্রের নিয়ম থেকে দুটো ব্যবহারিক তথ্য এখানে অনেক ঝামেলা বাঁচায়। এক, COE ফটোকপি হিসেবেও জমা দেওয়া যায়। দুই, Japan-এ ইস্যু হওয়া কাগজ — COE, ভর্তির চিঠি, ফি-র রসিদ, JLPT বা NAT-TEST-এর ফল — নোটারি করার দরকার নেই; অথচ Bangladesh-এর যেসব কাগজ মূল কপি দিতে পারছেন না, সেগুলো নোটারি করা কপি হতে হবে। ফটোকপি হতে হবে A4 কাগজে, আর জমা দেওয়া কোনো কাগজই ফেরত আসে না।

আপনার জন্য কোন তালিকা — university না language school?
Embassy দুটো আলাদা তালিকা দেয়, আর দুটোর চাপ সমান নয়। college বা university-তে গেলে তালিকা ছোট, একাডেমিক। কিন্তু Japanese language school-এ গেলে — যেভাবে Bangladeshi শিক্ষার্থীদের বড় একটা অংশ আসলে Japan-এ ঢোকে — তালিকাটা হয়ে যায় আপনার খরচ যিনি দিচ্ছেন, তাঁর আর্থিক পরীক্ষা।
| কাগজ | University | Language school | অবস্থা |
|---|---|---|---|
| Certificate of Eligibility | লাগবে | লাগবে | Embassy-ঘোষিত |
| ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট | "থাকলে" | সাপোর্টারের, লাগবে | Embassy-ঘোষিত |
| ট্যাক্স সার্টিফিকেট ও রসিদ | তালিকায় নেই | সাপোর্টারের ৩ বছরের | Embassy-ঘোষিত |
| SSC ও HSC-র মার্কশিট | "থাকলে" | লাগবে | Embassy-ঘোষিত |
| ফ্যামিলি ট্রি + NID / Nikahnama | তালিকায় নেই | সাপোর্টার বাবা-মা না হলে | Embassy-ঘোষিত |
| Resume | লাগবে | তালিকায় নেই | Embassy-ঘোষিত |
| টিকিট বুকিং স্লিপ | লাগবে | লাগবে | Embassy-ঘোষিত |
তৃতীয় আর পঞ্চম সারি দুটো আরেকবার পড়ুন। language school-এ যাওয়া কোনো শিক্ষার্থীর খরচ যদি চাচা দেন, তাহলে সেই চাচার তিন বছরের ট্যাক্স সার্টিফিকেট ও পরিশোধের রসিদ লাগবে, সঙ্গে NID বা Nikahnama দিয়ে সম্পর্ক প্রমাণ করা ফ্যামিলি ট্রি। পরিবারগুলো এসব গোছাতে শুরু করে যাত্রার দুই সপ্তাহ আগে। তিন বছরের ট্যাক্স রেকর্ড দুই সপ্তাহে তৈরি হয় না।
Japan তার Japanese language school-সংক্রান্ত আইন বদলেছে। ২০২৪ সালের এপ্রিল থেকে কার্যকর একটি ব্যবস্থায় এখন MEXT এসব প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি দেয়, আর ট্রানজিশন নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন বলছে — পুরোনো ব্যবস্থায় অনুমোদিত স্কুলগুলোকে ৩১ মার্চ ২০২৯-এর মধ্যে নতুন স্বীকৃতি নিতে হবে, নইলে তারা আর বিদেশি শিক্ষার্থী নিতে পারবে না। ২০২৭ সালে দুই বছরের কোর্স শুরু করা শিক্ষার্থী ঠিক এই সময়সীমার ভেতরে পড়েন। যেকোনো language school-কে লিখিতভাবে জিজ্ঞেস করুন, তাদের স্বীকৃতির অবস্থা কী। সূত্র গৌণ — স্কুল ও MEXT-এর কাছে যাচাই করুন।
ফর্ম কীভাবে পূরণ করলে কাউন্টারে আটকাবে না?
Embassy-র একটা নির্দেশিকা পাতা আছে, যেটা দেখলেই বোঝা যায় Bangladeshi আবেদনকারীদের কথা ভেবেই লেখা — উদাহরণ হিসেবে সেখানে নাম দেওয়া আছে "MD Shafiqul Khan"। এর তিনটি নির্দেশনা কাউন্টারে সবচেয়ে বেশি সমস্যা তৈরি করে।
- নাম ভাঙুন Embassy যেভাবে ভাঙে। "MD Shafiqul Khan"-এ surname হবে "Khan", আর given ও middle name হবে "MD Shafiqul"। নামের ঘরে কোনো Mr., Mrs. বা Dr. নয়। পাসপোর্টে ইনিশিয়াল থাকলে পুরো নাম যাবে "different name used" ঘরে।
- ঠিকানা দিন, এলাকা নয়। নির্দেশিকা বলছে শুধু "Gulshan 2, Dhaka" লিখবেন না। বাড়ি নম্বর, রোড নম্বর, প্লট নম্বর চাই। যেখানে এমন নম্বর নেই, সেখানে সংশ্লিষ্ট থানা, পোস্ট অফিস ও সরকারি অফিসের নাম দিন।
- পেশা আর উদ্দেশ্য নির্দিষ্ট করে লিখুন। "Business" নয়, "Student" নয় — Embassy চায় "University student (2nd year)", "College student (HSC)", "Medicine businessman" ধরনের লেখা। উদ্দেশ্যের ঘরে ভিসার শ্রেণি লিখতে হবে, "Visit" বা "Travel" নয়।
প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর দিন। যেটা প্রযোজ্য নয়, সেখানে ফাঁকা না রেখে "none", "nil" বা "N/A" লিখতে বলা হয়েছে। আর ফর্মে সই করবেন আপনি নিজে — Embassy বলছে, অন্য কেউ পূরণ করে দিলেও প্রতিটি উত্তরের দায় আবেদনকারীর।
যাওয়ার আগে যাচাই করুন: Embassy-র সাইটে দুই আমলের পাতা পাশাপাশি আছে। একটি পাতায় ছবির মাপ বলা ২ ইঞ্চি × ২ ইঞ্চি, ছয় মাসের মধ্যে তোলা; আরেকটিতে ২ ইঞ্চি × ১.৪ ইঞ্চি। দুটো মেলানো যায়নি, আর ফি ও পদ্ধতির পাতাটিতে কোনো তারিখ নেই। Baridhara-য় রওনা দেওয়ার আগে Embassy-র সাইটে দেওয়া নম্বরে Consular and Visa Section-এ ফোন করে ছবির মাপ, জমা দেওয়ার সময় ও ফি-র বিষয়টি নিশ্চিত করে নিন। গেটে একটা দিন নষ্ট হওয়ার মতো ধাপে এই লেখা বা অন্য কোনো লেখার ওপর ভরসা করবেন না।
Japan-এ এক বছরে টাকায় খরচ কেমন?
Japan-এর সরকারি Study in Japan পোর্টাল, JASSO-র বেসরকারিভাবে অর্থায়িত বিদেশি শিক্ষার্থীদের জীবনযাত্রা জরিপের ভিত্তিতে, গড় মাসিক খরচ বলছে ¥১,০৫,০০০ — পড়াশোনার খরচ বাদে। বাসা ভাড়ার গড় সারা দেশে ¥৪১,০০০, Tokyo-তে ¥৫৭,০০০। ১৫ আগস্ট ২০২৬-এ ১ ইয়েন ৳০.৭৭১ ধরলে ওই গড় মাসটা দাঁড়ায় প্রায় ৳৮১,০০০ — অর্থাৎ টিউশনের এক কিস্তি দেওয়ার আগেই বছরে প্রায় ৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
| খাত | ইয়েন | আনুমানিক টাকা | অবস্থা |
|---|---|---|---|
| জীবনযাত্রা, মাসে | ১,০৫,০০০ | ৳৮১,০০০ | JASSO জরিপ |
| বাসা, Tokyo, মাসে | ৫৭,০০০ | ৳৪৪,০০০ | JASSO জরিপ |
| National university, প্রথম বছর | ৮,১৭,৮০০ | ৳৬.৩ লাখ | গাইড-ভিত্তিক |
| — এর মধ্যে ভর্তি ফি | ২,৮২,০০০ | ৳২.২ লাখ | শুধু প্রথম বছর |
| Private university, প্রথম বছর | ১১–১৬.৪ লাখ | ৳৮.৫–১২.৬ লাখ | গাইড-ভিত্তিক |
| Language school, এক বছর | ৬–৯.৯৭ লাখ | ৳৪.৬–৭.৭ লাখ | গাইড-ভিত্তিক |
দুটো সৎ সতর্কতা। টিউশনের অঙ্কগুলো এসেছে সরকারি Student Guide to Japan-এর ফি তালিকা থেকে — আকার-আকৃতি বোঝার জন্য কাজে লাগে, কিন্তু এগুলো এ বছরের দাম নয়; প্রতিষ্ঠানের নিজের পাতা দেখুন। আর national university-র বহু বছরের চেনা ¥৫,৩৫,৮০০ এখন আর সবার জন্য এক নয়: University of Tokyo স্নাতক টিউশন বাড়িয়ে ¥৬,৪২,৯৬০ করেছে, দুই দশকে যা প্রথম বৃদ্ধি, আর national university-গুলো নির্ধারিত হারের চেয়ে বেশি নিতে পারে। বাজেট করুন প্রতিষ্ঠানের ফি-পাতা দেখে, জাতীয় গড় দেখে নয়।
Japan-এ কি পার্ট-টাইম কাজ করা যায়, কত ঘণ্টা?
যায়, তবে অনুমতি নেওয়ার পর। কোনো বেতনভুক্ত কাজ ধরার আগে শিক্ষার্থীকে নিতে হয় Permission to Engage in Activity Other Than That Permitted Under the Status of Residence। সেটি থাকলে ডিগ্রি-শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে ২৮ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করতে পারেন, আর প্রতিষ্ঠানের লম্বা ছুটিতে দিনে প্রায় ৮ ঘণ্টা; research ও auditing শিক্ষার্থীদের সীমা প্রায় ১৪ ঘণ্টা। অনুমতি ছাড়া কাজ করা বেআইনি, আর তাতে আপনার স্ট্যাটাস ঝুঁকিতে পড়ে। এই সীমাগুলো Japan-এর বিশ্ববিদ্যালয় ও ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞরা ব্যাপকভাবে উল্লেখ করেন; আপনার প্রতিষ্ঠানের international office থেকে চলতি সংখ্যাটি নিশ্চিত করে নিন।
সপ্তাহে আটাশ ঘণ্টা শুনতে মনে হয় মাসের ¥১,০৫,০০০ উঠে যাবে, আর কখনো কখনো ওঠেও। কিন্তু ভিসাটা দেওয়া হয়েছিল আপনার সাপোর্টারের টাকার জোরে, এখনো না-পাওয়া একটা চাকরির জোরে নয়। ইমিগ্রেশন নবায়নের সময় কাজের ঘণ্টা দেখে, আর সীমা ছাড়ালে পরে work visa-তে বদলানোর পথ নষ্ট হয়। পার্ট-টাইম আয়কে স্বস্তি ভাবুন, পরিকল্পনা নয়।
Bangladeshi শিক্ষার্থী MEXT scholarship পান কীভাবে?
Bangladesh-এর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে — এই অংশটাই প্রায় সব ব্লগ বাদ দিয়ে যায়। Embassy তাদের Embassy Recommendation-এর সময়সূচি প্রকাশ করে: এপ্রিলে Bangladesh-এর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি আসে, মে মাসে আবেদন জমা পড়ে মন্ত্রণালয়ে, জুন-জুলাইয়ে লিখিত পরীক্ষা ও ইন্টারভিউ, জুলাইয়ে Embassy প্রাথমিক বাছাই করে, ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে Japan-এ MEXT চূড়ান্ত বাছাই করে, আর যাত্রা পরের বছরের এপ্রিল বা অক্টোবরে।
অর্থাৎ প্রায় আঠারো মাসের দৌড়। স্নাতক শ্রেণিতে বয়স চাই ১৭ থেকে ২৫, আর বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের জন্য SSC ও HSC দুটোতেই GPA ৫ এবং English, Mathematics, Physics ও Chemistry-তে A+; মানবিকে দুটোতেই GPA ৪.৫ এবং English ও Mathematics-এ A+। research শ্রেণিটি ৩৫ বছরের নিচে, প্রথম শ্রেণি বা ৪-এর মধ্যে CGPA ৩.৫ থাকা আবেদনকারীদের জন্য। প্রতিটি শ্রেণিতেই লিখিত পরীক্ষা আছে, আর তাতে Japanese থাকে।
Embassy-র বৃত্তি-বিবরণের পাতাটিতে ২০২০ সালের তারিখ দেওয়া। শ্রেণিবিন্যাস আর সময়সূচির কাঠামোটা নির্ভরযোগ্য ধরে নিন, তবে নির্দিষ্ট মাস ও গ্রেডের শর্তগুলো পরিকল্পনায় বসানোর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে চলতি বছরের বিজ্ঞপ্তির সঙ্গে মিলিয়ে নিন।
Eduvisa-তে আমরা যা দেখি
Japan-এর ফাইলে তিনটি ধরন বারবার ফিরে আসে, আর কোনোটিই মেধার সমস্যা নয়। প্রথমটি সাপোর্টারের সমস্যা: শিক্ষার্থী মার্চে October intake-এর জন্য language school বেছে নেন, আর জুলাইয়ে গিয়ে বোঝেন — যে চাচা খরচ দিচ্ছেন, তাঁর তিন বছরের ট্যাক্স রেকর্ড Embassy যে চেহারায় চায়, সে চেহারায় নেই। দ্বিতীয়টি ক্যালেন্ডারের সমস্যা: পরিবার ভাবে COE পেলেই দৌড় শেষ, অথচ সেটা আসলে দুই ঘণ্টার একটা জানালার দিকে দৌড় শুরুর বাঁশি। তৃতীয়টি সবচেয়ে নিঃশব্দ — একবার রিফিউজ হওয়া শিক্ষার্থী ছয় সপ্তাহ পর নতুন পরামর্শে আবার আবেদন করেন, আর ফাইল না খুলেই তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
তালিকা পড়ে এগুলোর একটাও মেটে না। মেটে যখন সত্যিকারের সাপোর্টার, সত্যিকারের কাগজ আর সত্যিকারের intake-এর তারিখ নিয়ে বসা হয় — দরকার মনে হওয়ার অনেক আগেই। ওই কাজটাই আমরা আপনার সামনে টেবিলে বসে করি।
- Japan-এর প্রতিষ্ঠান COE-র আবেদন করছে কি না নিশ্চিত হোন, আর সম্ভাব্য তারিখটা লিখিতভাবে নিন।
- খরচ কে দেবেন এখনই ঠিক করুন — আর দেখুন, তাঁর নামে তিন বছরের ট্যাক্স সার্টিফিকেট ও রসিদ আছে কি না।
- সাপোর্টার বাবা-মা না হলে ফ্যামিলি ট্রি, NID ও Nikahnama-র প্রমাণ আগেভাগে গোছান।
- রওনা দেওয়ার আগে Consular and Visa Section-এ ফোন করে ছবির মাপ, সময় ও ফি নিশ্চিত করুন।
- Baridhara-য় সাড়ে এগারোটার অনেক আগে পৌঁছান, আর আবেদনকারী নিজে উপস্থিত থাকুন।
- যেকোনো language school-কে লিখিতভাবে তাদের MEXT স্বীকৃতির অবস্থা জিজ্ঞেস করুন।
- "সময় বাঁচাতে" অসম্পূর্ণ ফাইল জমা দেবেন না — সেটা নেওয়াই হবে না, আর রিফিউজের দাম ছয় মাস।
আরও পড়ুন: ২০২৭ সালে Bangladesh থেকে সবচেয়ে কম খরচে বিদেশে পড়া এবং Bangladeshi শিক্ষার্থীর জন্য কোন দেশ সবচেয়ে ভালো? Japan-এর সঙ্গে Europe মিলিয়ে দেখতে চাইলে আমাদের Germany student visa গাইডে একেবারে অন্যরকম টাকার হিসাব আছে।
এখানে ব্যবহৃত সরকারি সূত্র: Embassy of Japan in Bangladesh-এর ভিসা তথ্যপাতা এবং Japan-এর সরকারি Study in Japan জীবনযাত্রার খরচের পাতা।
Japan আর Eduvisa নিয়ে একটা কথা: Japan আমাদের জন্য নতুন গন্তব্য। Bangladeshi শিক্ষার্থীরা ক্রমেই বেশি খুঁজছেন বলেই আমরা এই গবেষণাটা করেছি — এটা সেবার প্রতিশ্রুতি নয়। Japan-এর আবেদনে সাহায্য চাইলে সরাসরি জিজ্ঞেস করুন, আজ আমরা আপনার জন্য কী করতে পারি আর কী পারি না — সৎ উত্তরটাই পাবেন।
একটা সকালেই সব ঠিক হয়। চলুন, সেই সকালের জন্য তৈরি হই।
Japan ভিসার জন্য টাকা নেয় না, কিন্তু দ্বিতীয় সুযোগও দেয় না। আপনার intake-এর তারিখ, সাপোর্টারের কাগজ আর প্রতিষ্ঠানের COE-র সময়সূচি নিয়ে আসুন — ফাঁকগুলো কোথায়, সময় থাকতেই বলে দেব। ইমেইলে নয়, এক কাপ চায়ের সঙ্গে।
ফ্রি পরামর্শ বুক করুন →
