Mauritius সরকারের নিজের স্টুডেন্ট ভিসা নির্দেশিকায় একটা লাইন আছে, যেটা বাংলাদেশের কোনো এজেন্সি আপনাকে পড়ে শোনাবে না — HIV পরীক্ষা, Hepatitis B পরীক্ষা আর বুকের এক্স-রে করতে হয় Mauritius-এ গিয়ে, পৌঁছানোর পর। আর রিপোর্ট পজিটিভ এলে আপনার এন্ট্রি পারমিট বাতিল হয়ে যাবে, দুই সপ্তাহের মধ্যে দেশ ছাড়তে হবে।
ততদিনে টিউশন ফি দেওয়া শেষ। প্লেনের টিকিটের টাকাও চলে গেছে। Mauritius স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে একজন বাংলাদেশি পরিবারকে যা যা বলা দরকার, তার মধ্যে এই কথাটাই সবচেয়ে জরুরি — অথচ এটা একটা খোলা সরকারি পিডিএফে লেখা আছে, খুঁজে পেতে আধ মিনিটও লাগে না।
Mauritius স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন আপনি বা কোনো এজেন্ট করেন না — আপনার নিবন্ধিত বিশ্ববিদ্যালয় Passport and Immigration Office-এ আবেদনটি জমা দেয়, আর সেখান থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত আসে। এরপর তিন মাসের প্রভিশনাল এন্ট্রি পারমিট নিয়ে আপনি যান, পৌঁছানোর এক মাসের মধ্যে Mauritius-এ HIV, Hepatitis B ও বুকের এক্স-রে করান, তারপর কোর্সের পুরো সময়ের জন্য Residence Permit পান।
Mauritius স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন আসলে কে করে — আপনি, নাকি বিশ্ববিদ্যালয়?
বিশ্ববিদ্যালয়। আমরা যত দেশ নিয়ে লিখি, তার মধ্যে এই জায়গাটাতেই Mauritius সবচেয়ে আলাদা — আর এতে একজন এজেন্ট আপনার জন্য কী করতে পারেন আর কী পারেন না, সেটাই বদলে যায়।
Mauritius-এর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশিকায় পরিষ্কার লেখা: স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন Passport and Immigration Office-এ করতে হবে সেই নিবন্ধিত tertiary বা TVET প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে, যেখানে শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছেন। শিক্ষার্থী নিজে নয়। ঢাকার কোনো কনসালটেন্সিও নয়।
এর একটা বাস্তব ফল আছে, যেটা নিয়ে একটু ভাবা দরকার। কেউ কিছু জমা দেওয়ার আগেই আপনার হাতে Tertiary Education Commission (বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে) বা Mauritius Qualifications Authority (TVET কলেজের ক্ষেত্রে) নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানে নিশ্চিত একটি আসন থাকতে হবে। ভর্তি এখানে ভিসার দিকে একটা ধাপ নয় — ভর্তি ছাড়া ভিসার প্রশ্নই ওঠে না।
"Mauritius-এর কোন নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান আমার হয়ে Passport and Immigration Office-এ আবেদন জমা দেবে, আর তাদের নিশ্চিতকরণটা কি আমি দেখতে পারি?" উত্তরে যদি বলা হয় এজেন্সি নিজেই আপনার ফাইল কোথাও জমা দেবে, তাহলে সরকারি নির্দেশিকার সঙ্গে সেটা কীভাবে মেলে জিজ্ঞেস করুন। এন্ট্রি ভিসার স্ট্যাম্প নিয়ে যুক্তিসংগত ব্যাখ্যা থাকতেই পারে — তবে টাকা দেওয়ার আগে সেটা শোনার অধিকার আপনার আছে।
Mauritius-এ পড়তে আসলে কত খরচ?
আমরা একটি প্রতিষ্ঠানের হিসাব দেব, কারণ তারা এজেন্সির ব্রোশিওরের ওপর ছেড়ে না দিয়ে নিজের সাইটেই পুরো ফি-তালিকা প্রকাশ করে। University of Technology, Mauritius একই পাতায় দেশি ও বিদেশি — দুই রেটই দিয়ে রাখে, আর তাতে এমন একটা জিনিস চোখে পড়ে যা বেশিরভাগ দেশ আড়ালে রাখে।
| খাত | দেশি | বিদেশি |
|---|---|---|
| আবেদন | Rs ১,০০০ | US$ ৫০ |
| স্নাতক | Rs ২২,৩০০ / সেম | US$ ১,৪৩০ / সেম |
| স্নাতকোত্তর | Rs ২৪,৮০০ / সেম | US$ ১,৬৮০ / সেম |
| MBA | Rs ১,৪০,০০০ | US$ ২,৫০০ |
| PhD / MPhil | Rs ৮৩,২০০ / বছর | US$ ৩,৫০০ / বছর |
| সাধারণ ফি | Rs ৪,০০০ / সেম | US$ ২০০ |
স্নাতকের সারিটা আরেকবার দেখুন। একজন Mauritian দেন সেমিস্টারে প্রায় Rs ২২,৩০০; একই আসনের জন্য একজন বিদেশি শিক্ষার্থী দেন US$ ১,৪৩০। সাম্প্রতিক রুপি রেটে সেটা প্রায় তিন গুণ। এটা কোনো কেলেঙ্কারি নয় — বেশিরভাগ দেশই এমন করে। তবে এর মানে হলো, "Mauritius-এ টিউশন এত" বলে আপনাকে যে হিসাব দেখানো হয়েছে, সেটা চুপিসারে দেশি রেট হয়ে থাকতে পারে।
হিসাব সোজা ধরলে, UTM-এ একজন বিদেশি শিক্ষার্থীর স্নাতক ডিগ্রিতে বছরে টিউশন দাঁড়ায় প্রায় US$ ২,৮৬০, সঙ্গে US$ ২০০ সাধারণ ফি আর US$ ১০ ইউনিয়ন ফি। একটি বাংলাদেশি পরিবারের জন্য এটা কম টাকা নয়, তবে অস্বাভাবিকও নয় — মধ্য এশিয়া আর পূর্ব ইউরোপের সস্তা বিকল্পগুলোর কাছাকাছি, আর বড় সুবিধা হলো Mauritius-এ পড়ানো হয় ইংরেজিতে।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কি Mauritius-এ ঢুকতে ভিসা লাগে?
হ্যাঁ। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য Mauritius ভিসা-আবশ্যক — ভিসা-ফ্রি প্রবেশ নেই, বিমানবন্দরে স্ট্যাম্পের ভরসাও নেই। বাংলাদেশে Mauritius-এর কোনো হাইকমিশনও নেই, ফলে কনস্যুলার দিকটা চলে New Delhi-র মিশনের মাধ্যমে — Armenia, Azerbaijan, Kazakhstan এবং সারিতে থাকা আরও অনেক দেশের ক্ষেত্রে আমরা যে New Delhi রুটটা বারবার পাচ্ছি, এটাও সেটাই।

এখানে একটা সত্যিকারের অস্পষ্টতা আছে, আর সেটা ঢেকে রাখার চেয়ে বলে দেওয়াই ভালো। সরকারি নির্দেশিকা বলছে প্রতিষ্ঠান Port Louis-এর Passport and Immigration Office-এ ফাইল করবে; বাংলাদেশি কনসালটেন্সিগুলো বলছে তারা ঢাকায় কাগজ নিয়ে ভারতে Mauritius হাইকমিশনের মাধ্যমে প্রসেস করে। দুটোই আংশিক সত্য হতে পারে — Port Louis-এ অনুমোদন হলেও সেটা কোথাও না কোথাও পাসপোর্টে স্ট্যাম্প হয়ে উঠতে হবে। তবে ধোঁয়াটে উত্তর মেনে নেবেন না। কোন অফিস কোন কাগজ দেয়, আর কোন ক্রমে দেয় — জিজ্ঞেস করুন।
Mauritius কী কী মেডিকেল টেস্ট চায়, আর কখন চায়?
এই অংশটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, আর দুবার পড়ার মতো।
সরকারি নির্দেশিকা চায় "HIV, Hepatitis B এবং বুকের এক্স-রে" — আর স্পষ্ট করে বলে দেয় যে এগুলো করাতে হবে Mauritius-এর কোনো বেসরকারি ল্যাব, ক্লিনিক বা হাসপাতালে, এবং রিপোর্ট Passport and Immigration Office-এ জমা দিতে হবে "পৌঁছানোর এক মাসের মধ্যে"। এগুলো প্লেনে ওঠার আগে ঢাকায় সেরে ফেলার আনুষ্ঠানিকতা নয়। আপনি চলে যাওয়ার পরেই এই শর্ত পূরণ করতে হয়।
নির্দেশিকা এরপর বলছে, রিপোর্টে HIV, Hepatitis B বা বুকের সংক্রমণ ধরা পড়লে শিক্ষার্থীর প্রভিশনাল এন্ট্রি পারমিট বাতিল হবে এবং তাঁকে দুই সপ্তাহের মধ্যে Mauritius ছাড়তে হবে। বাংলাদেশে Hepatitis B বিরল নয়, আর অনেকেই বহন করেন কোনো উপসর্গ ছাড়াই, নিজের অজান্তেই। অর্থাৎ একজন শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারেন, টাকা দিতে পারেন, উড়ে যেতে পারেন — আর এক মাসের মধ্যেই ফিরে আসতে হতে পারে এমন একটা কারণে, দেশে যার পরীক্ষাই কখনো হয়নি।
এই তথ্য দিয়ে আপনি কী করবেন, সেটা আমরা বলে দেব না — এটা চিকিৎসা-সংক্রান্ত ব্যাপার, আর একান্ত ব্যক্তিগতও। আমরা শুধু এটুকু বলব: টাকা ঢালার আগে নিজের অবস্থা জেনে নেওয়া পুরোপুরি যুক্তিসংগত একটা কাজ। আর যে কনসালটেন্সি এই শর্তের কথা না বলেই Mauritius আবেদনের অফেরতযোগ্য ফি নিয়ে নেয়, তারা নিজেদের কাজটা করেনি।
ট্যুরিস্ট ভিসায় গিয়ে কি স্টুডেন্ট ভিসায় বদলানো যায়?
যায় না, আর Mauritius সেটা বড় হরফেই লিখে রেখেছে। নির্দেশিকায় আলাদা শিরোনাম আছে — ট্যুরিস্ট ভিসা কোনো বিদেশিকে পড়াশোনা বা প্রশিক্ষণ কোর্স করার অনুমতি দেয় না। এরপর লেখা: পর্যটক বা দর্শনার্থী হিসেবে Mauritius-এ আসা বিদেশিদের পড়াশোনা বা প্রশিক্ষণের জন্য কোনো পারমিট বা ভিসার মেয়াদবৃদ্ধি দেওয়া হবে না।
ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীদের বলা হয়েছে, আবেদন অনুমোদিত হওয়ার পরেই যেন তাঁরা যাত্রা করেন। এটা ঠিক সেই ফাঁদ, যেটা আমরা Uzbekistan, Kyrgyzstan, Azerbaijan আর Kazakhstan-এও পেয়েছি — সহজ স্বল্পমেয়াদি রুটকে ডিগ্রির পেছনের দরজা বলে চালিয়ে দেওয়া। কোনোটাতেই সেটা পেছনের দরজা নয়।
বিদেশি শিক্ষার্থীরা কি Mauritius-এ পার্ট-টাইম কাজ করতে পারেন?
সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত পারেন — তবে আপনাআপনি নয়, আর এই পার্থক্যটাই বারবার হারিয়ে যায়।
নির্দেশিকা এই অধিকার দিয়েছে শ্রম, শিল্প সম্পর্ক ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে, আর আবেদনটি যেতে হবে আপনার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে Permanent Secretary-র কাছে, অনুলিপি যাবে উচ্চশিক্ষার দায়িত্বে থাকা মন্ত্রণালয়ে। অর্থাৎ কাজের অধিকারটা আছে, কিন্তু সেটা একটা আবেদন — পারমিটে আগে থেকেই টিক দেওয়া কোনো ঘর নয়।
প্রতি বছর কী হয় — নবায়ন কীভাবে চলে?
অনুমতি একবার পেলেই ভুলে যাওয়ার মতো বিষয় নয়। প্রতিটি নতুন শিক্ষাবর্ষের শুরুতে প্রতিষ্ঠানকে Passport and Immigration Office-এ প্রমাণ জমা দিতে হয় যে আপনি একই প্রোগ্রামে পড়া চালিয়ে যাচ্ছেন। নির্দেশিকায় নমুনা চিঠিটাও ছাপা আছে: প্রতিষ্ঠানের প্যাডে লেখা একটি চিঠি, যেখানে সার্টিফাই করা হয় যে আপনি সেমিস্টার বা বার্ষিক পরীক্ষা দিয়েছেন এবং পরের সেমিস্টার বা শিক্ষাবর্ষে ওঠার যোগ্য — কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর ও সিলসহ।
একে পড়ুন এভাবে: আপনার ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাস সরাসরি আপনার পড়াশোনার অগ্রগতির সঙ্গে বাঁধা। এতটা খারাপ ফল করলে যে পরের বর্ষে ওঠাই হলো না, তখন প্রতিষ্ঠানকে যে সুপারিশটা করতে বলা হয়, সেটা তারা সততার সঙ্গে করতে পারবে না।
- TEC বা MQA-নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান থেকে নিশ্চিত ভর্তি
- স্বাক্ষরিত "Application to enter Mauritius" ফর্ম
- দুই কপি পাসপোর্ট ছবি ও পাসপোর্টের বায়ো-ডেটা পাতার কপি
- কোর্সটি ফুল-টাইম না পার্ট-টাইম — TEC বা MQA-র নিশ্চিতকরণ
- ছয় মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট অথবা অভিভাবকের স্পনসরশিপ চিঠি
- থাকার ঠিকানার প্রমাণ ও বাড়িওয়ালার আইডিসহ অ্যাকোমোডেশন চিঠি
- পৌঁছানোর পরের মেডিকেল টেস্টের জন্য বাজেট ও পরিকল্পনা
- অ্যাপোস্টিল করা একাডেমিক সার্টিফিকেট
Mauritius কি বাংলাদেশি সার্টিফিকেটে অ্যাপোস্টিল নেবে?
নেবে। Mauritius হেগ অ্যাপোস্টিল কনভেনশনের পক্ষ, আর বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তিতে যেসব দেশ আপত্তি জানিয়েছিল তাদের মধ্যে Mauritius নেই — বাংলাদেশের জন্য এটি কার্যকর হয়েছে ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ। আপনার SSC, HSC ও ডিগ্রি সার্টিফিকেট দেশেই অ্যাপোস্টিল করানো যাবে, পুরো কনস্যুলার লিগ্যালাইজেশনের ঝামেলায় যেতে হবে না — সময় আর টাকা দুটোই বাঁচে, অথচ কেউ বলে না বলে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত এই সুবিধাটা নিতে ভুলে যান।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর জন্য Mauritius কি সত্যিই ভালো বিকল্প?
সঠিক শিক্ষার্থীর জন্য হ্যাঁ — আর কারণগুলো যথেষ্ট আলাদা বলেই স্পষ্ট করে বলা দরকার। Mauritius-এ পড়ানো হয় ইংরেজিতে। প্রতিষ্ঠানগুলো এমন সংস্থার নিয়ন্ত্রণে, যারা নিজেদের নিবন্ধন তালিকা প্রকাশ করে। UTM-এর মতো সরকারি প্রতিষ্ঠানে টিউশন কয়েক হাজার ডলারের ঘরে। দেশটা ছোট, নিরাপদ, বহু-জাতিগোষ্ঠীর, আর সেখানে দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত মানুষের সংখ্যা অনেক — প্রথমবার বিদেশে থাকা উনিশ বছরের একজনের কাছে যেকোনো র্যাঙ্কিং টেবিলের চেয়ে এটার দাম বেশি।
অন্যদিকে: বাংলাদেশে কোনো মিশন নেই, ভিসার আবেদন বিশ্ববিদ্যালয়কেই করতে হয়, কাজের অধিকারের জন্য আলাদা আবেদন লাগে, আর একটা মেডিকেল শর্ত আছে যার দাঁত আছে — এবং যেটা যাচাই হয় কেবল আপনি পৌঁছানোর পর।
Eduvisa-তে আমরা যা দেখি, তা হলো — "ইংরেজিভাষী, সাশ্রয়ী, ট্রপিক্যাল" শুনেই অনেক শিক্ষার্থী পড়া থামিয়ে দেন। Mauritius-এ যাঁরা ভালো করেন, সেই পরিবারগুলো আগে মেডিকেল অনুচ্ছেদটা পর্যন্ত পড়েন, তারপর সেখান থেকে পেছন দিকে হিসাব কষেন।
সাশ্রয়ী আর ইংরেজি-বান্ধব অন্য রুটগুলোর সঙ্গে Mauritius মিলিয়ে দেখতে চাইলে এই লেখাটার পাশাপাশি South Africa আর Morocco নিয়ে আমাদের গাইড দুটোও পড়ে নিন — তিনটিই কাছাকাছি খরচের স্তরে, আর তিনটিরই পথ New Delhi হয়ে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ থেকে কম খরচে বিদেশে পড়াশোনা ২০২৭ · Malaysia-তে জীবনযাত্রার খরচ ও বাজেট
Mauritius আবেদনে এক টাকা খরচ করার আগে
আপনাকে যে প্রতিষ্ঠান, কোর্স আর ফি-র হিসাব দেওয়া হয়েছে, সেটা নিয়ে আসুন। আমরা নিবন্ধন তালিকা মিলিয়ে দেখব, ফি-র পাতাটা আপনার সঙ্গে বসে পড়ব, আর মেডিকেল শর্তটা ঠিকভাবে বুঝিয়ে দেব — যাতে উড়ে যাওয়ার পর এই রুটের কোনো কিছুই আপনাকে চমকে না দেয়।
ফ্রি পরামর্শ নিন →