বাংলাদেশে কারও তালিকাতেই Namibia নেই, আর ঠিক সে কারণেই দেশটা একবার ভালো করে দেখা দরকার। সব স্তরে পড়ানো হয় ইংরেজিতে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়টি এমন একটা ফি-তালিকা প্রকাশ করে যেটা আপনি নিজেই নামিয়ে পড়তে পারেন, আর স্টাডি পারমিটের খরচ একটা মাঝারি ফোনের চেয়েও কম। আবার সেই দেশই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে নিজের নাগরিকদের ঠিক দ্বিগুণ টাকা নেয় — খোলাখুলি, ছাপার অক্ষরে। ২০২৭ সালে বাংলাদেশ থেকে Namibia স্টুডেন্ট ভিসা নিতে চাইলে এই দ্বিগুণ হিসাবটাই আপনার বাজেটকে সামলাতে হবে।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর লাগবে Namibia-র স্টাডি পারমিট ও ভিসা, যা দেয় Ministry of Home Affairs, Immigration, Safety and Security। খরচ N$৮০ হ্যান্ডলিং ফি, আর অনুমোদনের পর N$২,২০০। পারমিটের মেয়াদ দুই বছর, নবায়নযোগ্য। University of Namibia-তে non-SADC শিক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রেশনের দিন দেন N$২০,৭৭৫, আর পুরো সময়জুড়ে নামিবিয়ান হারের প্রায় দ্বিগুণ।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থী Namibia-র কথা ভাববেন কেন?
বাস্তব তিনটি কারণে। পড়ানোর ভাষা ইংরেজি, তাই ভাষা শেখার পেছনে একটা বছর যায় না — সস্তা ইউরোপীয় বিকল্পগুলোর বেশিরভাগে যা যায়। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ফি দ্বিগুণ হওয়ার পরেও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে কম। আর University of Namibia পুরো ফি-প্রসপেক্টাস PDF আকারে প্রকাশ করে, অর্থাৎ এজেন্টের পাঠানো স্ক্রিনশটে ভরসা না করে আপনি নিজেই সংখ্যা মিলিয়ে নিতে পারেন।
সাবধান হওয়ার কারণও আছে: Namibia অনেক দূর, ফ্লাইটের পথ লম্বা, আর সেখানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা খুবই কম। শুধু খরচ কম বলে কারও যাওয়া উচিত নয়।
পারমিট কি ওড়ার আগেই লাগবে, নাকি পৌঁছে আবেদন করা যায়?
Namibia-র সবচেয়ে বিভ্রান্তিকর জায়গা এটাই, আর সৎ উত্তর হলো — দুটি সরকারি সূত্র দুই দিকে ইঙ্গিত করে।
আইন পরিষ্কার। ১৯ আগস্ট ১৯৯৩-এর Immigration Control Act অনুযায়ী পড়াশোনার উদ্দেশ্যে Namibia-তে ঢোকার আগেই সব আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর বৈধ ও অনুমোদিত স্টাডি পারমিট ও ভিসা থাকতে হবে। ছাড় পান কেবল স্থায়ী বাসিন্দা, শরণার্থী, আশ্রয়প্রার্থী আর কূটনীতিকেরা।
কিন্তু University of Namibia-র নিজস্ব পাতায় বাস্তব চর্চা নিয়ে অন্য কথা লেখা: "University of Namibia আর Ministry of Home Affairs, Immigration, Safety & Security-এর মধ্যে একটি স্থায়ী সমঝোতা আছে, যাতে সব আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী UNAM-এ রেজিস্ট্রেশনের সময়েই স্টাডি পারমিটের আবেদন করতে পারেন।" একই পাতায় বলা আছে সীমান্তে পৌঁছে কী বলতে হবে, আর নির্দেশ দেওয়া আছে — "আগে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে, আর সব কাগজ জমা দিতে হবে রেজিস্ট্রেশনের শেষ ধাপে।"
একটি বিশ্ববিদ্যালয় আর একটি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক সমঝোতা আর Immigration Control Act-এ লেখা ছাড় — এক জিনিস নয়। সীমান্তের কর্মকর্তারা আইন প্রয়োগ করেন। UNAM-এর পাতার ভরসায় গিয়ে রেজিস্ট্রেশনের সময় পারমিট করাবেন ভাবলে, সেটি UNAM-এর International Students Office এবং আপনার ফাইল দেখভাল করা নামিবিয়ান মিশন — দুই জায়গা থেকেই লিখিতভাবে নিশ্চিত করে নিন। টিকিট কাটার আগে, নামার পরে নয়। ঠিক এই ফাঁকেই একজন শিক্ষার্থীর একটা ইনটেক নষ্ট হয়।

স্টাডি পারমিটের খরচ আসলে কত?
খুবই কম, আর টাকা দেওয়ার কাঠামোটাই আপনাকে সুরক্ষা দেয়। প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীর জন্য UNAM-এর পাতায় পরিষ্কার লেখা:
- আবেদন জমার সময় দিতে হয় শুধু N$৮০ হ্যান্ডলিং ফি।
- আবেদন অনুমোদিত হলে দিতে হয় N$২,২০০ পারমিট ফি।
- দুটোই দিতে হবে কেবল Ministry of Home Affairs, Immigration, Safety and Security-কে — বিশ্ববিদ্যালয়কে নয়।
পুরোনো শিক্ষার্থীরা জমার সময়েই N$২,২০০ দেন, কিংবা একবারে দিতে পারেন: N$৮০ আর বাকি পড়ার বছরসংখ্যা দিয়ে গুণ করা N$২,২০০।
"হ্যান্ডলিং ও পারমিট ফি কেবল Ministry of Home Affairs, Immigration, Safety & Security-কে দিতে হবে (বিশ্ববিদ্যালয়কে নয়)" — এটি UNAM-এর নিজের ভাষা। কেউ যদি বলেন পারমিট ফি তার মাধ্যমে পাঠাতে, বুঝবেন Namibia এভাবে চলে না। আরও খেয়াল করুন, N$২,২০০ দিতে হয় অনুমোদনের পরে — তাই আগেই পুরো পারমিট ফি চাওয়া নিজেই একটা সতর্কবার্তা। Namibian dollar দক্ষিণ আফ্রিকার rand-এর সঙ্গে এক-এক হারে বাঁধা, তাই N$২,২০০ মানে ZAR ২,২০০-ও।
পারমিটের ফাইলে কী কী লাগে?
প্রথম বর্ষের শর্তগুলো UNAM পুরোটাই তালিকা করে দিয়েছে:
- পূরণ করা মূল আবেদনপত্র ও ভিসা ফর্ম
- UNAM-এর ভর্তির চিঠি ও রেজিস্ট্রেশনের প্রমাণ
- উচ্চমাধ্যমিকের ফল
- নিজ দেশের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স — বাধ্যতামূলক, ছয় মাসের কম পুরোনো
- মেডিকেল সার্টিফিকেট (মূল কপি) ও রেডিওলজিক্যাল রিপোর্ট
- Deed of Surety ফর্ম
- বৈধ ও সচল মেডিকেল এইড বা ইনস্যুরেন্সের প্রমাণ
- Namibia-তে থাকার ব্যবস্থার প্রমাণ
- দুই কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি ও পাসপোর্টের কপি
- Namibia-তে কেন পড়তে চান, তা নিয়ে এক অনুচ্ছেদের বক্তব্য
- আপনার পড়ার খরচ কে দিচ্ছেন, তা জানিয়ে একটি চিঠি
দুটি জিনিসে আলাদা নজর দিন। রেডিওলজিক্যাল রিপোর্ট মানে বুকের এক্স-রে — বাংলাদেশেই এর জন্য সময় রাখুন। আর "Namibia-তে কেন পড়তে চান" নামের ওই এক অনুচ্ছেদটি আসলে ইমিগ্রেশন ফাইলের ভেতরে বসে থাকা একটা ছোট SOP; গোলমেলে লেখা হলে প্রশ্ন ওঠে, পড়াশোনাই আসল উদ্দেশ্য কি না। এ ছাড়া UNAM জোর দিয়ে বলেছে, সব কপি সত্যায়িত হতে হবে, আর পারমিটের কাগজ ভর্তির কাগজ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
ধাপে ধাপে সাজালে ক্রমটা দাঁড়ায় এমন:
non-SADC শিক্ষার্থীর জন্য UNAM-এর খরচ কত?
Namibia আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভাগ করে SADC আর non-SADC-তে। বাংলাদেশ পড়ে non-SADC-তে — সবচেয়ে ব্যয়বহুল ধাপে। ২০২৬ সালের ফি-প্রসপেক্টাস অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশনের দিন যা লাগে:
| খাত | নামিবিয়ান | SADC | Non-SADC |
|---|---|---|---|
| টিউশন ডিপোজিট | ৪,০০০ | ৫,৬৫০ | ১৪,৩০০ |
| রেজিস্ট্রেশন | ১,৫০০ | ১,৫০০ | ১,৫০০ |
| কানেক্টিভিটি | ৫৭৫ | ৫৭৫ | ৫৭৫ |
| টেকনোলজি | ৭৫০ | ৭৫০ | ৭৫০ |
| প্রশাসনিক লেভি | ১৫০ | ১৫০ | ১৫০ |
| আন্তর্জাতিক লেভি | ০ | ৩,৫০০ | ৩,৫০০ |
| সেদিনের মোট | ৬,৯৭৫ | ১২,১২৫ | ২০,৭৭৫ |
এই N$২০,৭৭৫ কিন্তু ডিপোজিট, পুরো বছরের ফি নয়। এরপর প্রসপেক্টাসে আসে সেই নিয়ম, যা বাকি সবকিছু ঠিক করে দেয়: ক্লাস ও প্র্যাকটিক্যাল ফিতে "non-SADC শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নামিবিয়ান হারের দ্বিগুণ নেওয়া হবে", আর স্নাতকোত্তর ও ডক্টরেট পর্যায়ের টিউশনেও একই দ্বিগুণ — কস্ট-রিকভারি কোর্স বাদে।
দ্বিগুণের নিয়ম শুধু পড়ানোতে থেমে নেই। হোস্টেল ফি দুটি কলামে দেওয়া — নামিবিয়ান/SADC আর non-SADC — আর non-SADC অঙ্কটা ঠিক দ্বিগুণ: Hage Geingob ক্যাম্পাসে একটি সিঙ্গেল রুম স্থানীয় শিক্ষার্থীর জন্য বছরে N$৩১,৯৭০, আপনার জন্য N$৬৩,৯৪০। তালিকার সবচেয়ে সস্তা বিকল্প, Hifikepunye Pohamba ক্যাম্পাসের চার শয্যার ঘর, non-SADC হারে বছরে N$১২,২৮০। খাবার নিলে বছরে N$২৪,৭৫০।
আমরা ২০২৬ সালের প্রসপেক্টাস উদ্ধৃত করছি, কারণ এখন এটাই প্রকাশিত দলিল; UNAM নিজেই বলেছে Council-এর সিদ্ধান্তে ফি বদলাতে পারে, আর ২০২৭-এর প্রসপেক্টাস এলে এই অঙ্কগুলো বাতিল হবে। খরচের গড়ন আর মাপ বোঝার জন্য এগুলো ব্যবহার করুন, আপনার হাতে আসা বিল হিসেবে নয়। ইচ্ছে করেই আমরা কিছুই টাকায় রূপান্তর করিনি — rand-এর সঙ্গে বাঁধা Namibian dollar নড়াচড়া করে, আর ব্লগে ছাপা রূপান্তরিত অঙ্ক মূল সূত্রের চেয়েও দ্রুত পুরোনো হয়ে যায়।
টাকা দেওয়ার সময়সীমা আর ছাড় কেমন?
প্রসপেক্টাস অস্বাভাবিক রকম নির্দিষ্ট, আর তারিখগুলো মাথায় রেখে পরিকল্পনা করা ভালো: বকেয়ার অন্তত ৬০ শতাংশ ৩০ জুনের মধ্যে, বাকি ৪০ শতাংশ ৩০ নভেম্বরের আগে। ফেব্রুয়ারি শেষ হওয়ার আগে পুরো বছরের টাকা একসঙ্গে দিলে টিউশনে ১০ শতাংশ ছাড় — তবে ৩১ মে-র মধ্যে লিখিতভাবে আবেদন করতে হবে। দেরিতে রেজিস্ট্রেশন করলে N$৬০০, আর হোস্টেল রেজিস্ট্রেশনের আগে N$৯৭৫ wear-and-tear ফি। আবেদন ফি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য N$৩০০, দেরিতে করলে N$৬৫০।
Namibia-তে পড়ার পাশে পার্ট-টাইম কাজ করা যায়?
মূলত যায় না, আর UNAM এক বাক্যে কারণ বলে দিয়েছে: "বর্তমানে Ministry of Home Affairs, Immigration, Safety & Security দ্বৈত পারমিটের অনুমতি দেয় না।" অর্থাৎ ওয়ার্ক পারমিট আর স্টাডি পারমিট একসঙ্গে রাখা যাবে না। একটাই ফাঁক আছে — কোর্সের অংশ হিসেবে ওয়ার্ক অ্যাটাচমেন্ট, তা-ও এই শর্তে যে আপনার অনুষদ থেকে চিঠি দিয়ে নিশ্চিত করতে হবে অ্যাটাচমেন্টটি প্রোগ্রামের আবশ্যিক অংশ।
ফলে Namibia-ও সেই লম্বা হয়ে চলা তালিকায় যোগ হলো, যেখানে সৎ পরামর্শটা একই: ডিগ্রির খরচ আগে জোগাড় করুন, ওখানে গিয়ে আয় করে চালাবেন ভাববেন না।
আবেদন কোথায় করব, আর Apostille কি কাজে লাগে?
বাংলাদেশে Namibia-র কোনো মিশন নেই। New Delhi-র নামিবিয়ান হাইকমিশন শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপের পাশাপাশি বাংলাদেশের জন্যও সমান্তরালভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত বলে জানা যায় — অর্থাৎ আপনার পথ New Delhi, যে ছকটা আমরা Armenia, Azerbaijan, South Africa-সহ আরও কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে নিশ্চিত করেছি।
কাগজের দিকে: Namibia ১৯৬১ সালের Apostille Convention-এর পক্ষ — ৩০ জানুয়ারি ২০০১ থেকে সেখানে কার্যকর, যা আমরা ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ HCCH-এর স্ট্যাটাস টেবিল থেকে মিলিয়ে দেখেছি — আর বাংলাদেশের যোগদানে আপত্তি জানানো বারোটি দেশের মধ্যে নেই। তাই বাংলাদেশ থেকে নেওয়া apostille-ই আপনার সনদ সত্যায়নের সঠিক পথ হওয়ার কথা।
এখানে দুটি তথ্য অনিশ্চিত, সেভাবেই দেখুন। এক, বাংলাদেশের জন্য Namibia-র সমান্তরাল দায়িত্বের কথাটি এসেছে গৌণ সূত্র থেকে, কোনো নামিবিয়ান সরকারি পাতা থেকে নয়। অন্যদিকে Namibia-র কনভেনশন-সদস্যপদ আমরা এখন সরাসরি HCCH-এর স্ট্যাটাস টেবিল থেকে মিলিয়ে দেখেছি (২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬): ৩০ জানুয়ারি ২০০১ থেকে কার্যকর, আর বাংলাদেশের যোগদানে আপত্তি জানানো বারোটি দেশের তালিকায় Namibia নেই। মিশনের প্রশ্নটি ভ্রমণ বুক করার আগে New Delhi-র নামিবিয়ান হাইকমিশন থেকে যাচাই করে নিন।
তাহলে Namibia কি যাওয়ার মতো?
নির্দিষ্ট একধরনের শিক্ষার্থীর জন্য মানানসই: যিনি ইংরেজি মাধ্যমে ডিগ্রি চান, যাঁর পরিবার পার্ট-টাইম আয় ছাড়াই পুরো খরচ চালাতে পারে, যিনি ক্যাম্পাসে হাতে গোনা কয়েকজন বাংলাদেশির একজন হতে স্বচ্ছন্দ, আর যাঁর আগ্রহ এমন বিষয়ে যেখানে Namibia সত্যিই ভালো — কৃষি, ভেটেরিনারি সায়েন্স, খনি ও প্রকৌশল, সামুদ্রিক ও উপকূলীয় সম্পদ।
Eduvisa-তে আমরা দেখি, এ ধরনের দেশ হয় একজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রায় নিখুঁতভাবে মেলে, নয়তো একেবারেই মেলে না — আর সিদ্ধান্তটা খুব কমই ফি-তালিকা দিয়ে হয়। হয় এই বোঝাপড়া দিয়ে: পরিবার বুঝেছে কি না যে পারমিট আসবে মন্ত্রণালয়ের সময়ে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সময়ে নয়; আর শিক্ষার্থী সত্যিই চার বছর বাড়ি থেকে অতদূরে থাকার জন্য প্রস্তুত কি না। এগুলো চেকলিস্ট নয়, আলোচনা।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ থেকে Botswana স্টুডেন্ট ভিসা — সবচেয়ে কাছের তুলনা, পাশের দেশ এবং একই দ্বিগুণ-হারের যুক্তিতে চলে · ২০২৭ সালে বাংলাদেশ থেকে কম খরচে বিদেশে পড়ার উপায়
দক্ষিণ আফ্রিকা অঞ্চল নিয়ে ভাবছেন, কিন্তু শুরু কোথায় বুঝছেন না?
কাগজে Namibia আর Botswana দেখতে একরকম, বাস্তবে আচরণ আলাদা — পারমিটে, সময়ে, আর বাংলাদেশ থেকে কোন মিশন কোন কাগজ নেবে তাতে। ট্রান্সক্রিপ্ট আর সত্যিকারের বাজেট নিয়ে আসুন; আমরা বের করব কোনটি আপনার জন্য বাস্তবসম্মত, আপনার ফাইলে কী নেই, আর আপনার বিষয়ের সঙ্গে কোনটা মেলে। কোনোটাই না মিললে সেটাও বলে দেব।
ফ্রি পরামর্শ নিন →দ্রষ্টব্য: এটি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ব্লগ গবেষণা, Eduvisa এখন Namibia-র আবেদন প্রক্রিয়া করে — এমন ঘোষণা নয়। অঙ্কগুলো এসেছে University of Namibia-র ২০২৬ ফি-প্রসপেক্টাস ও তাদের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী পাতা থেকে; পারমিটের নিয়ম Ministry of Home Affairs, Immigration, Safety and Security ও ১৯৯৩ সালের Immigration Control Act থেকে। কাজ শুরুর আগে প্রতিটি তথ্য যাচাই করে নিন।