Skip to main content
← ব্লগে ফিরে যান

বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পড়ার টাকা ও শিক্ষা ঋণ ২০২৭-২৮

ভিসা ফাইলের ব্যাংক স্টেটমেন্টে এখন QR কোড বাধ্যতামূলক। স্টুডেন্ট ফাইল, টিউশন পাঠানো, কার্ডে পেমেন্ট আর ১০ লাখ টাকার ঋণ কেন পড়াশোনার জন্য নয় — ২০২৭-২৮ সেশনের যাচাই করা নিয়ম।

প্রকাশিত 28 Sep, 2026 Bangladesh

Read in English →
বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পড়ার টাকা ও শিক্ষা ঋণ ২০২৭-২৮

১২ মে ২০২৬-এ বাংলাদেশ ব্যাংক এমন একটি সার্কুলার জারি করেছে, যার কথা বিদেশে পড়াশোনার বাজারে প্রায় কেউ শিক্ষার্থীদের বলেনি। এখন থেকে ভিসা আবেদনের জন্য বাংলাদেশি ব্যাংক যত ব্যাংক স্টেটমেন্ট, সলভেন্সি সার্টিফিকেট আর ইনভেস্টমেন্ট সার্টিফিকেট দেবে, প্রতিটিতে থাকতে হবে একটি QR কোড, যা দূতাবাস স্ক্যান করে অনলাইনেই যাচাই করতে পারবে। স্ক্যান করলে বেরিয়ে আসবে আপনার হিসাব নম্বর, হিসাবের নাম, প্রারম্ভিক স্থিতি, সমাপনী স্থিতি আর স্টেটমেন্ট তৈরির তারিখ। ব্যাংকগুলোকে সময় দেওয়া হয়েছিল ৯০ দিন। সেই ৯০ দিন আগস্টেই ফুরিয়েছে।

QRভিসা স্টেটমেন্টে এখন বাধ্যতামূলক
১৮,০০০ ডলারবার্ষিক ভ্রমণ কোটা
১ বছরএকবারে সর্বোচ্চ ছাড়
১ শাখাপুরো কোর্সের জন্য

২০২৬ সালে ব্যাংক স্টেটমেন্টে কী বদলাল?

যেটি চুপচাপ একটা গোটা জালিয়াতির ধরনকেই শেষ করে দিয়েছে। ১২ মে ২০২৬-এর বিআরপিডি-১ সার্কুলার নং ১২ তার কারণটাও নিজেই লিখেছে: ব্যাংকের দেওয়া দলিল আসল কি না, দূতাবাস ও ভিসা সেন্টারের তাৎক্ষণিক যাচাইয়ের ব্যবস্থা ছিল না, আর তাতে সবারই সময় ও প্রশাসনিক খরচ বাড়ছিল।

তাই সার্কুলারটি বাংলাদেশের সব তফসিলি ব্যাংককে নির্দেশ দিয়েছে, ভিসা আবেদনের জন্য দেওয়া দলিলে অনলাইনে যাচাইযোগ্য QR কোড থাকতে হবে, আর সেটি স্ক্যান করলে অন্তত পাঁচটি তথ্য নিশ্চিত হতে হবে:

  • হিসাব নম্বর (Account Number)
  • হিসাবের নাম (Account Name)
  • রিপোর্ট তারিখের প্রারম্ভিক স্থিতি
  • রিপোর্ট তারিখের সমাপনী স্থিতি
  • স্টেটমেন্ট তৈরির তারিখ

এই তথ্য যাচাইযোগ্য থাকতে হবে অন্তত ছয় মাস। ব্যাংকগুলোকে সিস্টেম প্রস্তুতের জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল সার্কুলারের তারিখ থেকে ৯০ দিন, আর এটি জারি হয়েছে ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে, তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর।

বিদেশে টিউশন পাঠাতে কি বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন লাগে?

সাধারণ ডিগ্রির জন্য লাগে না। এখানকার নিয়মপুস্তক ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর এফই সার্কুলার নং ৩৭, যার অনুচ্ছেদ ২৯ বিদেশে পড়াশোনার জন্য বৈদেশিক মুদ্রা ছাড়ের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করে। সেখানে লেখা, অনুমোদিত ডিলাররা "are allowed to release foreign exchange for admission and study by Bangladesh nationals in regular courses such as undergraduate, post graduate, language course pre-requisite to bachelor degree & professional diploma/certificate courses in recognized institutions abroad"।

ব্যতিক্রমটি বয়সের অন্য প্রান্তে: "Prior approval of Bangladesh Bank is required to release foreign exchange for study of Bangladeshi students abroad at school level।" স্কুল পর্যায়ের পড়াশোনায় অনুমোদন লাগে। মাল্টা বা মালয়েশিয়ার স্নাতকে লাগে না।

জেনে রাখা ভালো: এই সার্কুলারটি ২০১৮ সালের Guidelines for Foreign Exchange Transactions-এর সংশ্লিষ্ট নির্দেশনাগুলো বাতিলও করে দিয়েছে — যেগুলো এখনো অনেক ব্যাংকের পাতায় আর এজেন্সির ব্লগে উদ্ধৃত হয়।

কত টাকা পাঠানো যাবে, তার সীমা আছে?

টাকায় নেই, আর এতে অনেকেই অবাক হন। সার্কুলার AD-দের বলছে "issue foreign exchange as per estimate furnished by the educational institution" — অর্থাৎ আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের খরচের এস্টিমেটই সীমা। অনুচ্ছেদ ২৯-এর কোথাও শিক্ষার্থীপ্রতি কোনো সিলিং প্রকাশিত নেই।

আসল সীমাটা সময়ের। এই সুবিধা "will not be admissible for more than one academic year at a time", আর পরবর্তী প্রতিটি ছাড়ে বিবেচনায় নিতে হবে প্রতিষ্ঠানের "current progress report and current estimate"। তাই চার বছরের ডিগ্রি মানে একই ব্যাংক শাখার সঙ্গে চারবার আলাপ, আর প্রতিবারই প্রমাণ করতে হবে যে আপনি সত্যিই এগোচ্ছেন।

স্টুডেন্ট ফাইল কী, আর সেটি আপনার হাতে দেওয়া হয় না কেন?

কারণ এটি ব্যাংকের অফার নয়, নিয়ন্ত্রকের ফাইল। অনুচ্ছেদ ২৯(১)(viii) অস্বাভাবিক রকম সরাসরি: পুরো কোর্সজুড়ে সব বৈদেশিক মুদ্রা কিনতে হবে "from one AD bank branch", আর শাখা বদলাতে চাইলে "the relevant file shall be transferred direct to the concerned new AD branch on written request by the student. Under no circumstance should the file be handed over to the student।"

AD-দের রাখতে হবে "separate file for each student with all relevant papers in readiness for perusal by inspecting officials of Bangladesh Bank"। অর্থাৎ স্টুডেন্ট ফাইল এমন একটি পরিদর্শনযোগ্য নথি, যা ব্যাংক থেকে ব্যাংকে যায়, কখনোই আপনার হাত ঘুরে নয়। সার্কুলার এর ভেতরে যা চায় তা সংক্ষিপ্ত: Appendix-6 আবেদন, ভর্তির চিঠির মূল ও ফটোকপি, বার্ষিক টিউশন, থাকা-খাওয়া ও বিমার এস্টিমেটের মূল ও ফটোকপি, সত্যায়িত শিক্ষাগত সনদ, আর বৈধ পাসপোর্ট।

বিদেশে পড়ার খরচের পরিকল্পনার সময় টেবিলে ঋণচুক্তি, নোট আর ক্যালকুলেটর
বাংলাদেশের কোনো ব্যাংকই বিদেশে পড়ার ঋণের সুদের হার ওয়েবসাইটে লেখে না। প্রতিটি হারই শাখার আলাপ।

স্টুডেন্ট ফাইলের খরচ কত?

নিয়ন্ত্রক কোনো ফি ঠিক করে দেয়নি, তাই প্রতিটি ব্যাংক নিজেরটা ঠিক করে। নিচের সংখ্যাগুলো ব্যাংকগুলোর নিজেদের ওয়েবসাইট থেকে, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ পড়া — কোনো পাতাতেই হালনাগাদের তারিখ নেই।

ব্যাংকখোলানবায়ন
ইস্টার্ন ব্যাংক৮,৬২৫ টাকা (ভ্যাটসহ)৭,৪৭৫ টাকা (ভ্যাটসহ)
প্রাইম ব্যাংক৬,০০০ + ১৫% ভ্যাট৬,০০০ + ১৫% ভ্যাট
ব্যাংক এশিয়া৫,৫০০ টাকা৫,০০০ টাকা
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড৫,৭৫০ টাকা (ভ্যাটসহ)৫,৭৫০ টাকা (ভ্যাটসহ)

প্রাইম ব্যাংক ফাইল বন্ধে ১,০০০ টাকা, ফাইল স্থানান্তরে ২,০০০ টাকা আর ফাইল সার্টিফিকেটে ৫০০ টাকাও লিখেছে। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড প্রতি রেমিট্যান্সে ভ্যাটসহ ৫৭৫ টাকা নেয়, আর প্রায়োরিটি ও সার্ক গ্রাহকদের জন্য বার্ষিক হার কম। ইস্টার্ন ব্যাংক এমন একটি শর্ত যোগ করে, যা আগে থেকেই পরিকল্পনায় রাখা দরকার: ফাইল খোলার সময় শিক্ষার্থী ও খরচ বহনকারী দুজনকেই শাখায় সশরীরে থাকতে হবে।

এখন কি কার্ডে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফি দেওয়া যায়?

যায়, আর এটি নতুন। ১০ আগস্ট ২০২৬-এর এফইপিডি-১ সার্কুলার নং ২৯ AD-দের অনুমতি দিয়েছে বিদেশে শিক্ষা-সংক্রান্ত খরচের জন্য নির্ধারিত আন্তর্জাতিক কার্ড ইস্যু বা চালু করতে — কারণ বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রমেই নিজেদের ভর্তি ও এনরোলমেন্ট প্ল্যাটফর্মে কার্ডে পেমেন্ট চাইছে।

পরিবারের জন্য তিনটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। কার্ডটি হতে পারে "debit, prepaid, or credit card"। এটি ইস্যু হতে পারে "in the name of the student or the person bearing the student's educational expenses" — অর্থাৎ অভিভাবকের নামেও কার্ড স্পষ্টভাবে অনুমোদিত। আর এই সুবিধার লেনদেন "shall not form part of any travel quota or other foreign exchange entitlements", মানে শিক্ষার কার্ড ভ্রমণ কোটা খেয়ে ফেলে না।

সেই ভ্রমণ কোটা নিজেই বেড়েছে তিন সপ্তাহ আগে। ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর এফইপিডি-১ সার্কুলার নং ৩৩ বার্ষিক ভ্রমণ কোটা ১২,০০০ থেকে বাড়িয়ে ১৮,০০০ মার্কিন ডলার করেছে, বারো বছরের নিচে শিশুদের জন্য ৫০ শতাংশ, আর ওই কোটার ভেতরে নগদ নোটে সর্বোচ্চ ৫,০০০ ডলার। ১ ডলার ≈ ১২৩ টাকা ধরলে বছরে প্রায় ২২ লাখ টাকার বৈধ বিদেশযাত্রার অর্থ, যার প্রায় ৬ লাখ নগদ নোটে নেওয়া যায় — ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর দরে আমাদের হিসাব।

ভিসা বন্ড বা ব্লকড অ্যাকাউন্টের কী হবে?

দুটিই এখন স্পষ্টভাবে অনুমোদিত, আর মাল্টা, সাইপ্রাস, ইতালি ও জার্মানির ফাইলের জন্য এটি বড় খবর।

এফই সার্কুলার নং ৩৭ সেই শিক্ষার্থীদের — যাঁদের "in accordance with the guidance of foreign educational institutes/embassies/high commissions" বিদেশে ব্লকড অ্যাকাউন্টে বৈদেশিক মুদ্রা জমা রাখতে হয় — ওই হিসাব খোলার এবং "as set by foreign institutes/competent authority" পরিমাণ অর্থ পাঠানোর অনুমতি দেয়। টাকার কোনো সীমা নেই; বিদেশি কর্তৃপক্ষের অঙ্কই চূড়ান্ত।

আলাদাভাবে, ১১ মে ২০২৬-এর এফইপিডি-১ সার্কুলার নং ০৯ AD-দের অনুমতি দেয় দূতাবাস ও হাইকমিশনে ভিসা বন্ড ও ফেরতযোগ্য জামানত পাঠাতে, কিংবা আবেদনকারীর নামে আন্তর্জাতিক কার্ডে বন্ডের অঙ্ক আগেই লোড করে দিতে। ব্যাংককে আগে যাচাই করতে হবে আপনার বৈধ পাসপোর্ট আর মিশনের দেওয়া "an official demand letter, invoice, or other relevant document", যাতে "clearly specifying the requirement of the visa bond or refundable security deposit, including the amount, currency, and refund terms" থাকবে, সঙ্গে আপনার ভিসা আবেদনের রেফারেন্স। আর টাকাটা ফিরতেই হবে: "The visa bond or security deposit shall be repatriated to Bangladesh immediately upon release by the concerned authorities।"

১০ লাখ টাকার জামানতবিহীন ঋণ কি বিদেশে পড়ার জন্য?

না — আর এই লেখার সবচেয়ে জরুরি সংশোধনী এটিই, কারণ ভুল তথ্যটা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে।

২০২৬ সালের মার্চের শেষে জাতীয় সংবাদমাধ্যমে আসা ঋণটি, তার নিজের নামেই, বৈদেশিক কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে ভাষা শিক্ষা ও বিশেষ দক্ষতা অর্জনের জন্য ঋণ। এটি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে, আর প্রতিবেদনে নাম আসা করিডোরগুলো জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন ও জার্মানি — সঙ্গে JLPT N5 বা TOPIK লেভেল ৩-এর মতো ভাষার সনদ লাগে। প্রতিবেদিত শর্ত: সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা, বছরে ১১%, সর্বোচ্চ তিন বছর, বয়স ৪০-এর নিচে। এই শর্তগুলো সংবাদমাধ্যম থেকে নেওয়া; আমাদের পরিবেশ থেকে pkb.gov.bd আদৌ খোলা যায়নি, তাই এখানে PKB-র কোনো সংখ্যাই সরকারি ওয়েবসাইটে যাচাই করা হয়নি।

সরকারি ডোমেইনে যা যাচাই করা যায়, তা হলো পণ্যটির ধরন। সরকারের নিজের myGov সেবা পোর্টাল প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের অভিবাসন ঋণের কাগজ হিসেবে লিখেছে পাসপোর্ট, ভিসা, বিএমইটি কার্ড ও এনআইডি। বিএমইটি স্মার্ট কার্ড দেওয়া হয় নিবন্ধিত বিদেশগামী কর্মীদের। মাল্টা বা ইতালির বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যাওয়া শিক্ষার্থীর সেটি নেই, আর পাওয়ারও কথা নয়।

১
ভিসা ফাইলের স্টেটমেন্ট বা সলভেন্সি সার্টিফিকেট চাওয়ার আগে QR কোডের কথা জিজ্ঞেস করুন। ৯০ দিনের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর থেকে এটি বাধ্যতামূলক।
২
AD শাখা বেছে নিন ভেবেচিন্তে। পুরো কোর্সের সব বৈদেশিক মুদ্রা ওই এক শাখা থেকেই কিনতে হবে, তাই বাড়ির কাছে নয় — সেবার মান দেখে বাছুন।
৩
প্রতিষ্ঠানের লিখিত এস্টিমেট নিন, যাতে টিউশন, থাকা, খাওয়া ও বিমা থাকে। কত ছাড় হবে তা ঠিক করে ওই কাগজ, কোনো নিয়ম নয়।
৪
খরচ বহনকারীকে সঙ্গে নিয়ে স্টুডেন্ট ফাইল খুলুন। অন্তত একটি ব্যাংক দুজনকেই কাউন্টারে চায়।
৫
ঋণ লাগলে হার লিখিতভাবে চান, আর অন্তত দুটি ব্যাংক মিলিয়ে দেখুন — কেউই হার প্রকাশ করে না।
৬
বার্ষিক নবায়নের তারিখ ডায়েরিতে রাখুন। ছাড় হয় একবারে এক শিক্ষাবর্ষ, আর সঙ্গে লাগে হালনাগাদ প্রগ্রেস রিপোর্ট।

যা যাচাই করা যায়নি, আর একটি জরুরি সতর্কতা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর এফই সার্কুলার নং ৩৭-এ লেখা আছে, এর নির্দেশনা "will remain valid for one year from the date of its issuance" — অর্থাৎ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ নাগাদ। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার তালিকায় এর কোনো প্রতিস্থাপন বা নবায়ন দেখা যায়নি। অনুচ্ছেদ ২৯ ধরে কিছু করার আগে আপনার AD ব্যাংকের কাছ থেকে অবস্থানটি নিশ্চিত করে নিন। নামের একটি ফাঁদও আছে: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর আলাদা একটি এফইপিডি-১ সার্কুলার নং ৩৭ অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট নিয়ে, এর সঙ্গে সম্পর্কহীন। আমাদের পরিবেশ থেকে pkb.gov.bd, probashi.gov.bd, wewb.gov.bd বা mofa.gov.bd খোলা যায়নি, তাই প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের উপরের সব সংখ্যা সংবাদমাধ্যম থেকে নেওয়া ও সরকারি সাইটে অযাচাইকৃত; বিদেশে পড়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের কোনো বৃত্তি আছে কি না, সেটিও দেখা যায়নি। সলভেন্সি সার্টিফিকেটের বিষয়বস্তু, ফরম্যাট বা মেয়াদ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো নিয়ম আমরা পাইনি — এটি ব্যাংকের বাণিজ্যিক প্রথা ও দূতাবাসের চাহিদা, নিয়ন্ত্রিত দলিল নয়। ব্যাংকের ফি-র পাতাগুলোয় হালনাগাদের তারিখ নেই। ডলার-টাকার হিসাব ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ ১ ডলার ≈ ১২৩ টাকা ধরে আমাদের করা। সব সূত্র পড়া হয়েছে ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ।

সরকারি সূত্র: বিআরপিডি-১ সার্কুলার নং ১২ — ভিসা আবেদনের ব্যাংক স্টেটমেন্ট যাচাই · এফইপিডি-১ সার্কুলার নং ২৯ — আন্তর্জাতিক কার্ডে শিক্ষার খরচ · এফইপিডি-১ সার্কুলার নং ৩৩ — ভ্রমণ কোটা ১৮,০০০ ডলার · এফইপিডি-১ সার্কুলার নং ০৯ — ভিসা বন্ড ও ফেরতযোগ্য জামানত

আরও পড়ুন: জার্মানির ব্লকড অ্যাকাউন্ট ও অর্থের প্রমাণ · যুক্তরাজ্যের স্টুডেন্ট ভিসায় ব্যাংক স্টেটমেন্টের নিয়ম

ব্যাংকের একটি কাগজ তোলার আগেই টাকার পথটা এঁকে নিই।

কোন শাখা, কোন ফাইল, কোন এস্টিমেট, আর দূতাবাস আসলে কী স্ক্যান করতে পারবে — আপনার পার্সোনাল স্টেটমেন্ট কেউ পড়ার অনেক আগেই এগুলোই ভিসা ফাইলের ভাগ্য ঠিক করে দেয়। ভর্তির চিঠি আর ব্যাংকের নামটা নিয়ে আসুন, আমরা পুরো পেমেন্টের পথ আপনার সঙ্গে সোজাসুজি এঁকে দেব — খরচ কত হওয়া উচিত, সেটিসহ।

ফ্রি পরামর্শ নিন →

আপনার নিজের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন আছে?

একটি ব্লগ পোস্টে যতটুকু বলা যায়, তার বেশি কিছু না। আপনার নির্দিষ্ট পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের সাথে কথা বলুন।

ফ্রি কনসালটেশন বুক করুন