Skip to main content
← ব্লগে ফিরে যান

বাংলাদেশ থেকে থাইল্যান্ড ট্যুরিস্ট ই-ভিসা ২০২৭: প্রক্রিয়া, খরচ ও ৫ দিনের প্ল্যান

বাংলাদেশিদের থাই ভিসা লাগে, ঢাকা দূতাবাসের মাধ্যমে thaievisa.go.th-এ অনলাইনে আবেদন। প্রক্রিয়া, আনুমানিক খরচ, সেরা সময় ও ৫ দিনের ব্যাংকক–পাতায়া প্ল্যান।

প্রকাশিত 14 Oct, 2026 ["thailand"]

Read in English →
বাংলাদেশ থেকে থাইল্যান্ড ট্যুরিস্ট ই-ভিসা ২০২৭: প্রক্রিয়া, খরচ ও ৫ দিনের প্ল্যান
বাজেট ভ্রমণ · থাইল্যান্ড
বাংলাদেশিদের জন্য থাইল্যান্ড ভিসামুক্ত নয়, তবে ই-ভিসা পুরোটাই অনলাইনে, ফি কম, আর পৌঁছানোর পর ব্যাংকক, পাতায়া ও ফুকেট এশিয়ার সবচেয়ে সাশ্রয়ী শহর-সৈকত ভ্রমণগুলোর মধ্যে।
ই-ভিসা
thaievisa.go.th-এ আবেদন
~২.৫ ঘণ্টা
ঢাকা–ব্যাংকক ফ্লাইট
নভে–ফেব্রু
ঠান্ডা, শুকনো মৌসুম
থাইল্যান্ডের ব্যাংককে চাও ফ্রায়া নদীর পাশে ওয়াট অরুণ মন্দির
ব্যাংককের ওয়াট অরুণ — সস্তা নদীর নৌকায় যাওয়া যায়। ছবি: Diego Delso, Wikimedia Commons, CC BY-SA 3.0 (cropped).

বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ভিসার নিয়ম

বিষয়যা পাওয়া গেছে
ভিসা লাগে?হ্যাঁ — সাধারণ পাসপোর্টে বাংলাদেশ থাইল্যান্ডের ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল তালিকায় নেই
কীভাবে আবেদনthaievisa.go.th-এ অনলাইনে, এখতিয়ার: রয়্যাল থাই এমবাসি, ঢাকা
ফি পরিশোধদূতাবাসের উল্লেখ করা ব্যাংকের মাধ্যমে অনলাইনে (ই-ভিসা পেমেন্ট নোটিশ)
ট্যুরিস্ট ভিসা ফিট্রাভেল সাইটের তথ্যে সিঙ্গেল এন্ট্রি প্রায় ৳৪,৫০০; সঠিক অঙ্ক ই-ভিসার পেমেন্ট সামারিতে দেখা যায়
প্রসেসিং সময়সাধারণত কয়েক কর্মদিবস বলা হয় (ট্রাভেল সাইটের তথ্য) — হাতে সময় রেখে আবেদন করুন
সাধারণ কাগজপত্রপাসপোর্ট, ছবি, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, চাকরি/ব্যবসার প্রমাণ, রিটার্ন টিকিট, হোটেল বুকিং [পোর্টালের চেকলিস্ট দেখুন]

থাইল্যান্ডের ট্যুরিস্ট ভিসা আসল যাচাই, শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়: দুর্বল ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা প্রোফাইলের সাথে না মেলা ভ্রমণসূচির কারণে অন্য দূতাবাসের মতোই বাতিল হতে পারে।

বাজেট ভ্রমণে কত খরচ হয়?

খরচের খাতআনুমানিক পরিসর (জনপ্রতি)
ঢাকা–ব্যাংকক রিটার্ন ফ্লাইট৳২৫,০০০–৪৫,০০০; অফ-সিজনে বাজেট এয়ারলাইনে কম হতে পারে
বাজেট হোটেল / গেস্টহাউসরাতপ্রতি THB ৬০০–১,৫০০ (≈ US$১৭–৪৫)
খাবার (স্ট্রিট ফুড, ফুড কোর্ট)দিনে THB ৩০০–৭০০
লোকাল যাতায়াত (BTS/MRT, বাস, Grab)ব্যাংককে দিনে THB ১৫০–৪০০
ব্যাংকক–পাতায়া বাস / দ্বীপে ফেরিপ্রতি যাত্রায় THB ১৫০–৬০০

খরচগুলো জনপ্রতি Eduvisa-র আনুমানিক পরিকল্পনার পরিসর (অক্টোবর ২০২৬), অনলাইনে দেখা সাধারণ ভাড়া ও দামের ভিত্তিতে — কোটেশন নয়, এবং কোনো অফিসিয়াল ট্যারিফে যাচাই করা নয়। টাকার অঙ্ক বিনিময় হারের সাথে বদলায়।

কখন যাওয়া সবচেয়ে ভালো?

  • নভেম্বর–ফেব্রুয়ারি: ঠান্ডা ও শুকনো, সবচেয়ে ভালো — সবচেয়ে ভিড়
  • মার্চ–মে: খুব গরম; এপ্রিলের মাঝামাঝি সংক্রান পানি উৎসব
  • জুন–অক্টোবর: বর্ষা, হোটেল সবচেয়ে সস্তা; আন্দামান উপকূলে সাগর উত্তাল হতে পারে

কম খরচে কী কী দেখবেন?

  • ব্যাংকক: গ্র্যান্ড প্যালেস, ওয়াট অরুণ, চাতুচাক উইকেন্ড মার্কেট, নদীর নৌকা
  • পাতায়া: সৈকত ও কোরাল আইল্যান্ড ডে-ট্রিপ, ব্যাংকক থেকে দুই ঘণ্টা
  • ফুকেট ও ক্রাবি: দ্বীপ, ফি ফি ডে-ট্রিপ
  • চিয়াং মাই: পুরোনো শহরের মন্দির, নাইট বাজার, ঠান্ডা পাহাড়
  • আয়ুথায়া: প্রাচীন রাজধানী, ব্যাংকক থেকে সহজ ডে-ট্রিপ

৫ দিনের বাজেট ভ্রমণসূচি

  • দিন ১: ঢাকা–ব্যাংকক ফ্লাইট, এয়ারপোর্ট রেল লিংকে শহরে
  • দিন ২: গ্র্যান্ড প্যালেস, ওয়াট ফো, নদীর নৌকায় ওয়াট অরুণ
  • দিন ৩: আয়ুথায়া ডে-ট্রিপ, বা সপ্তাহান্ত হলে চাতুচাক
  • দিন ৪: বাসে পাতায়া, কোরাল আইল্যান্ড
  • দিন ৫: ব্যাংকক ফেরা, দেশে ফেরা

টাকায় ৫ দিনের থাইল্যান্ড ভ্রমণে কত খরচ?

সরাসরি উত্তর: ব্যাংকক আর পাতায়ায় এক-দুই দিন মিলিয়ে ৫ দিনে রিটার্ন ফ্লাইট ও ভিসা ফিসহ জনপ্রতি মোটামুটি ৳৫২,০০০–১,০৪,০০০ খরচ হয়। স্ট্রিট ফুড খেলে আর ট্রেন-বাসে চললে থাইল্যান্ড সস্তা; হোটেল আর শপিংয়েই বাজেট বেরিয়ে যায়।

খরচের খাত (৫ দিন ৪ রাত, জনপ্রতি)আনুমানিক (৳)
ঢাকা–ব্যাংকক রিটার্ন ফ্লাইট২৫,০০০–৪৫,০০০
ট্যুরিস্ট ই-ভিসা ফি (প্রচলিত তথ্য, সিঙ্গেল এন্ট্রি)≈ ৪,৫০০
বাজেট হোটেল, ৪ রাত (টুইন শেয়ার)৮,০০০–২২,০০০
খাবার, ৫ দিন (স্ট্রিট ফুড, ফুড কোর্ট)৫,৫০০–১৩,০০০
এয়ারপোর্ট রেল লিংক ও পাতায়া বাসসহ লোকাল যাতায়াত৪,০০০–৯,০০০
প্রবেশ ফি (গ্র্যান্ড প্যালেস, কোরাল আইল্যান্ড), সিম৫,০০০–১০,০০০
মোট≈ ৫২,০০০–১,০৪,০০০

শুধু আনুমানিক হিসাব, জনপ্রতি, অক্টোবর ২০২৬-এ প্রতি US$ প্রায় ৳১২২ ধরে তৈরি। মৌসুম ও বিনিময় হারের সাথে ভাড়া ও দাম বদলায়; এগুলো কোটেশন নয়।

ঢাকা থেকে ব্যাংকক কোন ফ্লাইটে যাবেন?

ঢাকা থেকে ব্যাংককের সুবর্ণভূমি পর্যন্ত সরাসরি ফ্লাইটে প্রায় আড়াই ঘণ্টা লাগে; বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস ও থাই এয়ারওয়েজ এই রুটে চলেছে। ঈদ, পহেলা বৈশাখ ও ডিসেম্বরের ছুটিতে ভাড়া বাড়ে, জুন–অক্টোবরের বর্ষায় কমে।

  • ই-ভিসা অনুমোদনের পরই টিকিট কাটুন, অথবা রিফান্ডযোগ্য ভাড়া নিন।
  • ফ্লাইট বুকিংয়ের তারিখ ই-ভিসা আবেদনের তারিখের সাথে হুবহু মেলান।
  • সুবর্ণভূমি থেকে শহরে এয়ারপোর্ট রেল লিংকে যান — যানজটে ট্যাক্সির চেয়ে অনেক সস্তা।
  • নামার আগে অনলাইনে থাইল্যান্ড ডিজিটাল অ্যারাইভাল কার্ড (TDAC) পূরণ করুন।

থাই ই-ভিসার আবেদন কীভাবে শক্ত করবেন?

একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ, বিশ্বাসযোগ্য ভ্রমণ দেখান: মিলে যাওয়া তারিখ, যথেষ্ট টাকা, আর বাংলাদেশে ফেরার পরিষ্কার কারণ। ঢাকার রয়্যাল থাই দূতাবাস অফিসিয়াল thaievisa.go.th পোর্টালের মাধ্যমে বাংলাদেশিদের আবেদন দেখে, আর অফিসাররা কাগজের আবেদনের মতোই ফাইল যাচাই করেন।

  • ব্যাংক স্টেটমেন্ট: সাম্প্রতিক কয়েক মাসের স্থির ব্যালান্স; হঠাৎ বড় জমা প্রশ্ন তোলে।
  • দেশের সাথে বন্ধনের প্রমাণ: ছুটির অনুমোদনসহ চাকরির চিঠি, ট্রেড লাইসেন্স, অথবা স্টুডেন্ট আইডি ও প্রতিষ্ঠানের চিঠি।
  • বুকিং: ভ্রমণের তারিখের সাথে হুবহু মেলে এমন হোটেল ও রিটার্ন টিকিট।
  • পরিষ্কার স্ক্যান: পোর্টালের সাইজ ও ব্যাকগ্রাউন্ডের নিয়ম মেনে পাসপোর্টের তথ্য পাতা ও ছবি।

পৌঁছে কি কিছু লাগে?

হ্যাঁ: ২০২৫ সালে থাই ইমিগ্রেশন চালু করা অনলাইন থাইল্যান্ড ডিজিটাল অ্যারাইভাল কার্ড, সাথে ই-ভিসার অনুমোদন, রিটার্ন টিকিট ও হোটেলের তথ্য। অফিসাররা টাকার কথা জিজ্ঞেস করতে পারেন, তাই কার্ড ও কিছু নগদ রাখুন।

বিস্তারিত বাজেট ভ্রমণসূচি কেমন হবে?

  • ১ম দিন — ব্যাংকক পৌঁছানো: এয়ারপোর্ট রেল লিংকে শহরে, BTS/MRT স্টেশনের কাছে চেক-ইন, সন্ধ্যায় নাইট মার্কেট।
  • ২য় দিন — পুরোনো শহর: গরম এড়াতে সকালে গ্র্যান্ড প্যালেস, তারপর ওয়াট ফো, চাও ফ্রায়া এক্সপ্রেস বোটে ওয়াট অরুণ।
  • ৩য় দিন — আয়ুথায়া বা চাতুচাক: সপ্তাহের দিনে ট্রেনে আয়ুথায়ার ধ্বংসাবশেষ, সপ্তাহান্তে চাতুচাক মার্কেট।
  • ৪র্থ দিন — পাতায়া: একামাই থেকে বাস, ফেরিতে কোরাল আইল্যান্ড, সন্ধ্যায় ফেরা বা এক রাত থাকা।
  • ৫ম দিন — দেশে ফেরা: MBK বা প্রাতুনামে শেষ কেনাকাটা, রেল লিংকে এয়ারপোর্ট।

বাংলাদেশ থেকে টাকা-ডলার কীভাবে নেবেন?

সংক্ষেপে: যাওয়ার আগে পাসপোর্টে ডলার এনডোর্স করুন, পরিষ্কার US$ নোট ও একটি ইন্টারন্যাশনাল কার্ড সাথে রাখুন, আর যতটুকু দরকার ততটুকুই ভাঙান।

  • ডলার এনডোর্সমেন্ট: ব্যাংক বা লাইসেন্সধারী মানি চেঞ্জার থেকে বৈদেশিক মুদ্রা কিনে পাসপোর্টে এনডোর্স করিয়ে নিন — এটা বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত বার্ষিক ট্রাভেল কোটার মধ্যে পড়ে। এনক্যাশমেন্ট সার্টিফিকেট পাসপোর্টের সাথে রাখুন।
  • ইন্টারন্যাশনাল কার্ড: বাংলাদেশি ব্যাংকের ডুয়াল-কারেন্সি ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড দিয়ে হোটেল পেমেন্ট ও বাত তোলা সবচেয়ে নিরাপদ। ব্যাংককে আন্তর্জাতিক ব্যবহার চালু করতে বলুন এবং প্রতি লেনদেন ও দৈনিক সীমা জেনে নিন।
  • পরিষ্কার নোট: নতুন, ছেঁড়া-ফাটা নয় এমন US$ নোট (সম্ভব হলে ২০১৩ বা পরের সিরিজ) ভালো রেট পায়; পুরোনো বা দাগওয়ালা নোট প্রায়ই নেওয়া হয় না।
  • বুঝে ভাঙান: এয়ারপোর্টে শুধু যাতায়াতের জন্য অল্প ভাঙান, বাকিটা শহরের মানি চেঞ্জার বা এটিএম থেকে। বিদেশে টাকা (৳) ভাঙানোর চেষ্টা করবেন না — বাংলাদেশের বাইরে প্রায় কোথাও নেয় না।
  • রেকর্ড রাখুন: কার্ড স্লিপ ও এনডোর্সমেন্ট রসিদ পরে যুক্তরাজ্য, শেনজেন বা স্টুডেন্ট ভিসার আবেদনে আপনার ভ্রমণ ইতিহাস পরিষ্কার দেখায়।

নিজে করার বদলে ওয়ান-টু-ওয়ান সাহায্য কেন নেবেন?

কারণ টাকা খরচ করার আগেই নিয়ম জানা একজন মানুষ আপনার পুরো পরিকল্পনা মিলিয়ে দেখেন। বেশিরভাগ ভ্রমণ ছোট কারণে ভেস্তে যায়: পাসপোর্টের মেয়াদ কম, বুকিংয়ের সাথে ভিসা ফর্মের তথ্য না মেলা, অনানুষ্ঠানিক সাইটে ফি দেওয়া, কিংবা ফেরার তারিখ পরীক্ষা বা অফিসের সাথে সংঘাত। নিজে করা সম্ভব — এই পাতার অফিসিয়াল লিংকগুলোই যথেষ্ট — কিন্তু অভিজ্ঞ কেউ পাশে থাকলে পুরো প্রক্রিয়াটা পরিষ্কার, দ্রুত আর ভুলের ঝুঁকি অনেক কম হয়।

Eduvisa-র ওয়ান-টু-ওয়ান সার্ভিসে কী থাকে?

  • একজন নির্দিষ্ট পরামর্শক, যিনি প্রথম কথা থেকে দেশে ফেরা পর্যন্ত আপনার ফাইল দেখেন — একই কথা বারবার বলতে হয় না।
  • আপনার কেসের জন্য আলাদা ডকুমেন্ট চেকলিস্ট — পাসপোর্ট, ছবি, ব্যাংকের কাগজ, বুকিং, চিঠি — জমা দেওয়ার আগে যাচাই করা।
  • বাজেট ও ভ্রমণসূচি পরিকল্পনা, ঢাকা থেকে বাস্তবসম্মত খরচসহ, ছুটি ও ভাড়া বাড়ার সময় মাথায় রেখে।
  • শুধু অফিসিয়াল পোর্টালে আবেদন সহায়তা, প্রতিটি ফি ও রসিদের রেকর্ডসহ।
  • ভ্রমণ ইতিহাসের পরিকল্পনা, যাতে এই সফর ভবিষ্যতের যুক্তরাজ্য, শেনজেন বা স্টুডেন্ট ভিসার আবেদনকে শক্ত করে।

Eduvisa মেম্বারশিপ কার্ড কী?

প্রত্যেক স্টুডেন্ট বা ট্যুরিস্ট ক্লায়েন্ট একটি ব্যক্তিগত ক্লায়েন্ট আইডিসহ Eduvisa মেম্বারশিপ কার্ড পান। কার্ডের ওয়েবসাইট লাইনে লেখা থাকে getbesthost.com/eduvisa: সেখানে ক্লায়েন্ট আইডি দিয়ে ঢুকে আপনার প্রসেসিং স্ট্যাটাস ট্র্যাক করতে পারবেন, সব ডকুমেন্ট এক জায়গায় দেখতে পারবেন এবং যত পেমেন্ট করেছেন তার সবই দেখতে পারবেন।

কাজের অগ্রগতি ও পেমেন্ট কীভাবে যাচাই করবেন?

আমাদের ভেরিফায়েড ক্লায়েন্ট পোর্টাল getbesthost.com/eduvisa-এ ধাপে ধাপে দেখা যায় আপনার কাজ কতদূর এগিয়েছে, আর প্রতিটি পেমেন্ট গ্রহণ ও রেকর্ড হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করা যায়। ফোন করে জিজ্ঞেস না করেই আপনি জানবেন ফাইল কোথায় আছে — পরিবারকেও দেখাতে পারবেন কী কী পেমেন্ট হয়েছে এবং কেন।

জমা দেওয়ার আগে আমরা আপনার থাই ই-ভিসা ফাইল দেখে দিতে পারি — ব্যাংক স্টেটমেন্ট, চাকরির প্রমাণ ও ভ্রমণসূচি — যাতে সব কাগজ একই গল্প বলে। একটা পরিষ্কার থাইল্যান্ড সফর পরে কঠিন গন্তব্যের আবেদনকেও শক্তিশালী করে।

সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

বাংলাদেশিদের কি থাইল্যান্ডের ভিসা লাগে?

হ্যাঁ। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা ঢাকার রয়্যাল থাই দূতাবাসের অধীনে অফিসিয়াল থাই ই-ভিসা পোর্টালে অনলাইনে আবেদন করেন।

থাই ট্যুরিস্ট ভিসার ফি কত?

ট্রাভেল সাইটের তথ্যে দূতাবাসের সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর ফি তালিকায় সিঙ্গেল এন্ট্রি প্রায় ৳৪,৫০০; সঠিক অঙ্ক ই-ভিসার পেমেন্ট সামারিতে দেখা যায়।

কত আগে আবেদন করব?

ভ্রমণের তিন-চার সপ্তাহ আগে আবেদন করুন, যাতে প্রসেসিং আর দূতাবাস বাড়তি কাগজ চাইলে তার জন্য সময় থাকে।

TDAC কী?

থাইল্যান্ড ডিজিটাল অ্যারাইভাল কার্ড একটি ফ্রি অনলাইন অ্যারাইভাল ফর্ম, নামার আগে পূরণ করতে হয়; শুধু অফিসিয়াল ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইট ব্যবহার করুন।

ভ্রমণ ইতিহাস গড়তে থাইল্যান্ড কি ভালো?

হ্যাঁ। থাই ভিসা ও সময়মতো ফেরা পাসপোর্টে যাচাই-করা প্রকৃত ভিসা দেখায়, যা পরে যুক্তরাজ্য বা শেনজেনের আবেদনে কাজে লাগে।

সম্পর্কিত গাইড: বাংলাদেশ থেকে কম খরচের গন্তব্য · মালয়েশিয়া ট্যুরিস্ট ভিসা

কম খরচে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন? বুকিংয়ের আগে আমরা আপনার প্ল্যান দেখে দিই।

পাসপোর্ট আর ভ্রমণের আইডিয়া নিয়ে আসুন। একটা ফ্রি আলোচনায় জানিয়ে দেব আপনার পাসপোর্ট, বাজেট ও তারিখের সাথে কোন গন্তব্য মানায়, আর আগে কী প্রস্তুত করতে হবে।

ফ্রি কনসালটেশন বুক করুন →

আপনার নিজের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন আছে?

একটি ব্লগ পোস্টে যতটুকু বলা যায়, তার বেশি কিছু না। আপনার নির্দিষ্ট পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের সাথে কথা বলুন।

ফ্রি কনসালটেশন বুক করুন