নেপালের ইমিগ্রেশন বিভাগ সার্ক নাগরিকদের, বাংলাদেশিসহ, ভিসা বছরে প্রথম সফরে সর্বোচ্চ ৩০ দিনের ফ্রি (গ্র্যাটিস) অন-অ্যারাইভাল ট্যুরিস্ট ভিসা দেয় (পড়া ১৪ অক্টোবর ২০২৬)। একই বছরে দ্বিতীয় সফর বা বেশি দিন থাকতে চাইলে সাধারণ ফি: US$৩০ (১৫ দিন), US$৫০ (৩০ দিন), US$১২৫ (৯০ দিন)। লাগবে কমপক্ষে ছয় মাস মেয়াদি পাসপোর্ট, অ্যারাইভাল কার্ড আর অনলাইন ট্যুরিস্ট ভিসা ফর্ম বা এয়ারপোর্ট কিয়স্কের রসিদ।

বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ভিসার নিয়ম
| বিষয় | অফিসিয়াল সূত্রে যা বলা আছে |
|---|---|
| ভিসার ধরন | অন-অ্যারাইভাল ট্যুরিস্ট ভিসা (একাধিকবার প্রবেশ) |
| বাংলাদেশিদের খরচ | ভিসা বছরে প্রথম সফরে ৩০ দিন পর্যন্ত ফ্রি (সার্ক গ্র্যাটিস নিয়ম) |
| ফি (পুনরায় সফর / বেশি দিন) | US$৩০ / ১৫ দিন · US$৫০ / ৩০ দিন · US$১২৫ / ৯০ দিন |
| পাসপোর্টের মেয়াদ | কমপক্ষে ছয় মাস |
| কোথায় | ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কাঠমান্ডু), পোখারা ও গৌতম বুদ্ধ বিমানবন্দর, স্থলবন্দর |
| আগাম ফর্ম | অনলাইন ট্যুরিস্ট ভিসা ফর্ম বা এয়ারপোর্টের কিয়স্ক; বারকোডসহ রসিদ প্রিন্ট করুন |
"ভিসা বছর" বাস্তবে ক্যালেন্ডার বছর ধরে চলে — একই বছরে দ্বিতীয়বার যাওয়ার আগে ইমিগ্রেশন বিভাগের পেজ দেখে নিন (ট্রাভেল সাইটের তথ্য)। অতিরিক্ত থাকলে প্রতিদিন জরিমানা হয়, তাই ফেরার তারিখ মাথায় রাখুন।
বাজেট ভ্রমণে কত খরচ হয়?
| খরচের খাত | আনুমানিক পরিসর (জনপ্রতি) |
|---|---|
| ঢাকা–কাঠমান্ডু রিটার্ন ফ্লাইট | ৳২৫,০০০–৪৫,০০০; অক্টো–নভে ও ছুটির বাইরে কম |
| বাজেট হোটেল / গেস্টহাউস (থামেল, পোখারা লেকসাইড) | রাতপ্রতি US$১২–৩৫ |
| খাবার (লোকাল রেস্তোরাঁ, ডাল-ভাত, মোমো) | দিনে US$৮–১৫ |
| লোকাল যাতায়াত (কাঠমান্ডু–পোখারা ট্যুরিস্ট বাস, ট্যাক্সি) | প্রতি আন্তঃশহর যাত্রায় US$১০–২৫; শহরের ট্যাক্সি আলাদা |
| প্রবেশ ফি (দরবার স্কয়ার, সারাংকোট ইত্যাদি) | প্রতিটি কয়েক ডলার; সার্ক নাগরিকদের রেট প্রায়ই কম (ট্রাভেল সাইটের তথ্য) |
খরচগুলো জনপ্রতি Eduvisa-র আনুমানিক পরিকল্পনার পরিসর (অক্টোবর ২০২৬), অনলাইনে দেখা সাধারণ ভাড়া ও দামের ভিত্তিতে — কোটেশন নয়, এবং কোনো অফিসিয়াল ট্যারিফে যাচাই করা নয়। টাকার অঙ্ক বিনিময় হারের সাথে বদলায়।
কখন যাওয়া সবচেয়ে ভালো?
- অক্টোবর–নভেম্বর: বর্ষার পর পরিষ্কার আকাশ, পিক সিজন — আগে বুক করুন
- মার্চ–মে: বসন্ত, রডোডেনড্রন ফোটে, একটু গরম ও কুয়াশা
- জুন–সেপ্টেম্বর: বর্ষা — সবচেয়ে সস্তা, তবে মেঘলা ও রাস্তায় ভূমিধসের ঝুঁকি
- ডিসেম্বর–ফেব্রুয়ারি: ঠান্ডা কিন্তু পরিষ্কার; কাঠমান্ডু-পোখারার জন্য ভালো, উঁচু ট্রেকের জন্য কঠিন
কম খরচে কী কী দেখবেন?
- কাঠমান্ডু উপত্যকা: স্বয়ম্ভুনাথ, বৌদ্ধনাথ, পশুপতিনাথ ও তিনটি দরবার স্কয়ার
- পোখারা: ফেওয়া লেক, সারাংকোটে সূর্যোদয়, প্যারাগ্লাইডিং
- নাগরকোট: কাঠমান্ডু থেকে এক ঘণ্টায় হিমালয়ের সূর্যোদয়
- চিতওয়ান: সমতলে জঙ্গল সাফারি
- ছোট ট্রেক: নতুনদের জন্য পুন হিল বা অস্ট্রেলিয়ান ক্যাম্প
৫ দিনের বাজেট ভ্রমণসূচি
- দিন ১: ঢাকা–কাঠমান্ডু ফ্লাইট, অন-অ্যারাইভাল ভিসা, থামেলে চেক-ইন, সন্ধ্যায় হাঁটা
- দিন ২: স্বয়ম্ভুনাথ, কাঠমান্ডু দরবার স্কয়ার, বৌদ্ধনাথ
- দিন ৩: ট্যুরিস্ট বাসে পোখারা (৬–৮ ঘণ্টা), লেকসাইডে সন্ধ্যা
- দিন ৪: সারাংকোটে সূর্যোদয়, ফেওয়ায় নৌকা, ওয়ার্ল্ড পিস প্যাগোডা
- দিন ৫: কাঠমান্ডু ফেরা (বাস বা ছোট ফ্লাইট) ও দেশে ফেরা
ফি দেওয়ার জন্য পরিষ্কার নোটে কিছু ইউএস ডলার রাখুন। পাসপোর্ট দেখিয়ে এয়ারপোর্টেই লোকাল সিম কিনুন। ফ্রি ভিসার স্লিপ পাসপোর্টের সাথে রাখুন — ফেরার সময় চাইতে পারে। অক্টোবরের দশাইন/তিহার আর ঈদের ছুটিতে ঢাকা–কাঠমান্ডু ভাড়া অনেক বাড়ে, তাই আগে বুক করুন।
টাকায় ৫ দিনের নেপাল ভ্রমণে কত খরচ?
সরাসরি উত্তর: হিসাব করে চললে রিটার্ন ফ্লাইটসহ কাঠমান্ডু ও পোখারায় ৫ দিন জনপ্রতি মোটামুটি ৳৪২,০০০–৮৩,০০০-এ ঘোরা যায়। সবচেয়ে বড় খরচ ফ্লাইট; মাটিতে নেমে নেপাল ঢাকা থেকে সবচেয়ে সস্তা ভ্রমণগুলোর একটি।
| খরচের খাত (৫ দিন, জনপ্রতি) | আনুমানিক (৳) |
|---|---|
| ঢাকা–কাঠমান্ডু রিটার্ন ফ্লাইট | ২৫,০০০–৪৫,০০০ |
| ভিসা (ভিসা বছরের প্রথম সফর) | ০ |
| গেস্টহাউস, ৪ রাত (শেয়ার রুম) | ৬,০০০–১৭,০০০ |
| খাবার, ৫ দিন | ৫,০০০–৯,০০০ |
| কাঠমান্ডু–পোখারা আসা-যাওয়ার ট্যুরিস্ট বাস, লোকাল ট্যাক্সি | ৩,৫০০–৭,০০০ |
| প্রবেশ ফি, সিম কার্ড, ছোটখাটো খরচ | ২,৫০০–৫,০০০ |
| মোট | ≈ ৪২,০০০–৮৩,০০০ |
শুধু আনুমানিক হিসাব, জনপ্রতি, অক্টোবর ২০২৬-এ প্রতি US$ প্রায় ৳১২২ ধরে তৈরি। মৌসুম ও বিনিময় হারের সাথে ভাড়া ও দাম বদলায়; এগুলো কোটেশন নয়।
ঢাকা থেকে কাঠমান্ডু কোন ফ্লাইটে যাবেন?
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (DAC) থেকে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (KTM) পর্যন্ত সরাসরি ফ্লাইটে এক ঘণ্টার একটু বেশি লাগে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস ও হিমালয় এয়ারলাইনস এই রুটে ফ্লাইট চালিয়েছে। অক্টোবর–নভেম্বর এবং ঈদ, দুর্গাপূজা ও বছরশেষের ছুটির বাইরে ভাড়া সবচেয়ে কম।
- অক্টোবর–নভেম্বরের পিক সময়ে ৪–৮ সপ্তাহ আগে টিকিট কাটুন।
- পরিষ্কার দিনে কাঠমান্ডু যাওয়ার সময় ডান পাশের জানালার সিট চেয়ে নিন — প্রায়ই হিমালয় দেখা যায়।
- ব্যাগেজ সীমা দেখে নিন: কিছু ভাড়ায় শুধু কেবিন ব্যাগ আর ছোট চেকড ব্যাগ থাকে।
- রিটার্ন টিকিটের প্রিন্ট কপি রাখুন; ঢাকা বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন যাওয়ার সময় তা দেখতে চাইতে পারে।
কাঠমান্ডুতে ফ্রি অন-অ্যারাইভাল ভিসা আসলে কীভাবে হয়?
অনলাইন অ্যারাইভাল ফর্ম পূরণ করবেন (অথবা এয়ারপোর্টের কিয়স্ক ব্যবহার করবেন), সার্ক নাগরিকদের ফ্রি (গ্রাটিস) ভিসা কাউন্টারে লাইনে দাঁড়াবেন, তারপর স্ট্যাম্প — কোনো ফি নেই, আগাম অনুমোদন লাগে না। ইমিগ্রেশন বিভাগ ভিসা বছরে সার্ক নাগরিকদের প্রথম সফরে ৩০ দিনের ফ্রি সুবিধার কথা বলেছে; একই বছরে দ্বিতীয় সফর বা বেশি দিন থাকলে তবেই ফি লাগে।
- আগমনের পর অন্তত ছয় মাস মেয়াদি পাসপোর্ট।
- কিয়স্ক কাজ না করলে কাজে লাগে এমন একটি সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজ ছবি।
- অ্যারাইভাল কার্ডের জন্য হোটেলের ঠিকানা।
- অনলাইন ফর্মের বারকোড রসিদ, প্রিন্ট বা মোবাইলে।
থাকার মেয়াদ কি বাড়ানো যায়?
হ্যাঁ। কাঠমান্ডু ও পোখারায় ইমিগ্রেশন বিভাগ তাদের অফিসিয়াল পাতায় দেওয়া ফি অনুযায়ী ট্যুরিস্ট ভিসার মেয়াদ বাড়ায়, তাই লম্বা ট্রেকের পরিকল্পনা থাকলে ৩০ দিনের ফ্রি মেয়াদ ফি দিয়ে বাড়িয়ে নেওয়া যায়।
বিস্তারিত বাজেট ভ্রমণসূচি কেমন হবে?
- ১ম দিন — কাঠমান্ডু পৌঁছানো: অন-অ্যারাইভাল ভিসা, প্রিপেইড ট্যাক্সিতে থামেল, রাতে ডাল-ভাত। মাটিতে খরচ প্রায় ৳২,৫০০।
- ২য় দিন — ঐতিহ্যের দিন: সকালে হেঁটে বা ছোট ট্যাক্সিতে স্বয়ম্ভুনাথ, দুপুরে কাঠমান্ডু দরবার স্কয়ার, সূর্যাস্তে বৌদ্ধনাথ। মূল খরচ প্রবেশ ফি।
- ৩য় দিন — পোখারা: কান্তিপথ থেকে ভোরে ট্যুরিস্ট বাস; বিকেলের মধ্যে লেকসাইড। গেস্টহাউসের মাধ্যমে এক দিন আগে বাস বুক করুন।
- ৪র্থ দিন — পোখারা: ভোরে সারাংকোটে অন্নপূর্ণার সূর্যোদয়, ফেওয়ায় নৌকা, হেঁটে ওয়ার্ল্ড পিস প্যাগোডা।
- ৫ম দিন — ফেরা: বাসে কাঠমান্ডু (বাজেট থাকলে ছোট ডোমেস্টিক ফ্লাইট) এবং সন্ধ্যার ফ্লাইটে ঢাকা; নইলে এক রাত বাড়িয়ে পরদিন সকালে ফিরুন।
যেখানে স্থানীয়রা খায় সেখানে খান — রিফিলসহ এক প্লেট ডাল-ভাত পেট ভরায়, দামও কম। ট্যাক্সি শেয়ার করুন এবং ওঠার আগে ভাড়া ঠিক করে নিন। থামেলের দর্শনীয় জায়গাগুলো হেঁটে ঘুরুন। ট্রেকিংয়ের জিনিস নতুন কিনবেন না; থামেলের দোকানে জ্যাকেট ও লাঠি দিনভিত্তিক ভাড়া পাওয়া যায়।
বাংলাদেশ থেকে টাকা-ডলার কীভাবে নেবেন?
সংক্ষেপে: যাওয়ার আগে পাসপোর্টে ডলার এনডোর্স করুন, পরিষ্কার US$ নোট ও একটি ইন্টারন্যাশনাল কার্ড সাথে রাখুন, আর যতটুকু দরকার ততটুকুই ভাঙান।
- ডলার এনডোর্সমেন্ট: ব্যাংক বা লাইসেন্সধারী মানি চেঞ্জার থেকে বৈদেশিক মুদ্রা কিনে পাসপোর্টে এনডোর্স করিয়ে নিন — এটা বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত বার্ষিক ট্রাভেল কোটার মধ্যে পড়ে। এনক্যাশমেন্ট সার্টিফিকেট পাসপোর্টের সাথে রাখুন।
- ইন্টারন্যাশনাল কার্ড: বাংলাদেশি ব্যাংকের ডুয়াল-কারেন্সি ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড দিয়ে হোটেল পেমেন্ট ও নেপালি রুপি তোলা সবচেয়ে নিরাপদ। ব্যাংককে আন্তর্জাতিক ব্যবহার চালু করতে বলুন এবং প্রতি লেনদেন ও দৈনিক সীমা জেনে নিন।
- পরিষ্কার নোট: নতুন, ছেঁড়া-ফাটা নয় এমন US$ নোট (সম্ভব হলে ২০১৩ বা পরের সিরিজ) ভালো রেট পায়; পুরোনো বা দাগওয়ালা নোট প্রায়ই নেওয়া হয় না।
- বুঝে ভাঙান: এয়ারপোর্টে শুধু যাতায়াতের জন্য অল্প ভাঙান, বাকিটা শহরের মানি চেঞ্জার বা এটিএম থেকে। বিদেশে টাকা (৳) ভাঙানোর চেষ্টা করবেন না — বাংলাদেশের বাইরে প্রায় কোথাও নেয় না।
- রেকর্ড রাখুন: কার্ড স্লিপ ও এনডোর্সমেন্ট রসিদ পরে যুক্তরাজ্য, শেনজেন বা স্টুডেন্ট ভিসার আবেদনে আপনার ভ্রমণ ইতিহাস পরিষ্কার দেখায়।
নিজে করার বদলে ওয়ান-টু-ওয়ান সাহায্য কেন নেবেন?
কারণ টাকা খরচ করার আগেই নিয়ম জানা একজন মানুষ আপনার পুরো পরিকল্পনা মিলিয়ে দেখেন। বেশিরভাগ ভ্রমণ ছোট কারণে ভেস্তে যায়: পাসপোর্টের মেয়াদ কম, বুকিংয়ের সাথে ভিসা ফর্মের তথ্য না মেলা, অনানুষ্ঠানিক সাইটে ফি দেওয়া, কিংবা ফেরার তারিখ পরীক্ষা বা অফিসের সাথে সংঘাত। নিজে করা সম্ভব — এই পাতার অফিসিয়াল লিংকগুলোই যথেষ্ট — কিন্তু অভিজ্ঞ কেউ পাশে থাকলে পুরো প্রক্রিয়াটা পরিষ্কার, দ্রুত আর ভুলের ঝুঁকি অনেক কম হয়।
Eduvisa-র ওয়ান-টু-ওয়ান সার্ভিসে কী থাকে?
- একজন নির্দিষ্ট পরামর্শক, যিনি প্রথম কথা থেকে দেশে ফেরা পর্যন্ত আপনার ফাইল দেখেন — একই কথা বারবার বলতে হয় না।
- আপনার কেসের জন্য আলাদা ডকুমেন্ট চেকলিস্ট — পাসপোর্ট, ছবি, ব্যাংকের কাগজ, বুকিং, চিঠি — জমা দেওয়ার আগে যাচাই করা।
- বাজেট ও ভ্রমণসূচি পরিকল্পনা, ঢাকা থেকে বাস্তবসম্মত খরচসহ, ছুটি ও ভাড়া বাড়ার সময় মাথায় রেখে।
- শুধু অফিসিয়াল পোর্টালে আবেদন সহায়তা, প্রতিটি ফি ও রসিদের রেকর্ডসহ।
- ভ্রমণ ইতিহাসের পরিকল্পনা, যাতে এই সফর ভবিষ্যতের যুক্তরাজ্য, শেনজেন বা স্টুডেন্ট ভিসার আবেদনকে শক্ত করে।
Eduvisa মেম্বারশিপ কার্ড কী?
প্রত্যেক স্টুডেন্ট বা ট্যুরিস্ট ক্লায়েন্ট একটি ব্যক্তিগত ক্লায়েন্ট আইডিসহ Eduvisa মেম্বারশিপ কার্ড পান। কার্ডের ওয়েবসাইট লাইনে লেখা থাকে getbesthost.com/eduvisa: সেখানে ক্লায়েন্ট আইডি দিয়ে ঢুকে আপনার প্রসেসিং স্ট্যাটাস ট্র্যাক করতে পারবেন, সব ডকুমেন্ট এক জায়গায় দেখতে পারবেন এবং যত পেমেন্ট করেছেন তার সবই দেখতে পারবেন।
কাজের অগ্রগতি ও পেমেন্ট কীভাবে যাচাই করবেন?
আমাদের ভেরিফায়েড ক্লায়েন্ট পোর্টাল getbesthost.com/eduvisa-এ ধাপে ধাপে দেখা যায় আপনার কাজ কতদূর এগিয়েছে, আর প্রতিটি পেমেন্ট গ্রহণ ও রেকর্ড হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করা যায়। ফোন করে জিজ্ঞেস না করেই আপনি জানবেন ফাইল কোথায় আছে — পরিবারকেও দেখাতে পারবেন কী কী পেমেন্ট হয়েছে এবং কেন।
নেপালে সাধারণত কাগজপত্রের ঝামেলা কম, আর ঠিক এই কারণেই এটা প্রথম ভ্রমণের জন্য ভালো: একটা পরিষ্কার এন্ট্রি-এক্সিট স্ট্যাম্প ভ্রমণ ইতিহাস তৈরি শুরু করে, যা পরে যুক্তরাজ্য, শেনজেন বা স্টুডেন্ট ভিসার ফাইলে কাজে লাগে। এই ধাপগুলো সৎভাবে সাজাতে আমরা সাহায্য করতে পারি।
সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
বাংলাদেশিদের জন্য নেপালের ভিসা কি সত্যিই ফ্রি?
হ্যাঁ — নেপালের ইমিগ্রেশন বিভাগের সার্ক গ্রাটিস নিয়ম অনুযায়ী ভিসা বছরের প্রথম সফরে ৩০ দিন পর্যন্ত ফ্রি। একই বছরে দ্বিতীয় সফরে ১৫/৩০/৯০ দিনের জন্য US$৩০/৫০/১২৫।
ঢাকা থেকে রওনা দেওয়ার আগে কি ভিসা লাগবে?
না। কাঠমান্ডু, পোখারা বা গৌতম বুদ্ধ বিমানবন্দরে এবং স্থলবন্দরে পৌঁছে বাংলাদেশিরা ভিসা পান।
কত টাকা-ডলার সাথে নেব?
৫ দিনের বাজেট ভ্রমণে মাটির খরচের জন্য প্রায় US$১৫০–৩০০ আর কিছু বাড়তি, পাসপোর্টে এনডোর্স করা — এটা একটা ভালো আনুমানিক পরিকল্পনা।
ভারত হয়ে সড়কপথে যাওয়া যায়?
সড়কপথে গেলে ট্রানজিটের জন্য ভারতের ভিসা লাগে, তাই বেশিরভাগ বাজেট ভ্রমণকারী সরাসরি ফ্লাইটকেই সহজ মনে করেন, মোট খরচও কাছাকাছি।
নেপাল ভ্রমণ কি ভবিষ্যতের ভিসায় কাজে লাগে?
সময়মতো ফেরাসহ একটি পরিষ্কার সফর প্রকৃত ভ্রমণ ইতিহাস যোগ করে, যা যুক্তরাজ্য ও শেনজেন অফিসাররা আপনার সামগ্রিক প্রোফাইলের অংশ হিসেবে দেখেন।
- Department of Immigration, Nepal — Tourist Visa — পড়া ১৪ অক্টোবর ২০২৬
- Department of Immigration, Nepal — Visa on Arrival — পড়া ১৪ অক্টোবর ২০২৬
- Nepal Tourism Board — Tourist Visa — পড়া ১৪ অক্টোবর ২০২৬
- IATA Travel Centre (Timatic-based passport/visa check) — পড়া ১৪ অক্টোবর ২০২৬
- নেপাল বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ — ১৪ অক্টো ২০২৬-এ পড়া
- ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, বাংলাদেশ — ই-পাসপোর্ট — ১৪ অক্টো ২০২৬-এ পড়া
- বাংলাদেশ ব্যাংক — বৈদেশিক মুদ্রা ও ট্রাভেল কোটা — ১৪ অক্টো ২০২৬-এ পড়া
এখানে উল্লিখিত ভিসার নিয়ম ও ফি সূত্র তালিকার সরকারি পাতাগুলো থেকে নেওয়া, ১৪ অক্টোবর ২০২৬-এ পড়া। খরচগুলো আনুমানিক পরিকল্পনা, কোটেশন নয়। কোনো তথ্য শুধু ট্রাভেল সাইট থেকে এলে আমরা তা বলে দিই। ওয়ান-টু-ওয়ান সার্ভিসের অংশ হিসেবে Eduvisa ক্লায়েন্টদের পরিকল্পনা সর্বশেষ নিয়মের সাথে মিলিয়ে দেওয়া হয়।
সম্পর্কিত গাইড: বাংলাদেশ থেকে কম খরচের গন্তব্য · ভুটান ট্যুরিস্ট ভিসা
কম খরচে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন? বুকিংয়ের আগে আমরা আপনার প্ল্যান দেখে দিই।
পাসপোর্ট আর ভ্রমণের আইডিয়া নিয়ে আসুন। একটা ফ্রি আলোচনায় জানিয়ে দেব আপনার পাসপোর্ট, বাজেট ও তারিখের সাথে কোন গন্তব্য মানায়, আর আগে কী প্রস্তুত করতে হবে।
ফ্রি কনসালটেশন বুক করুন →