এক ভিসায় প্যারিস, রোম, প্রাগ আর সুইস আল্পস — এটাই বাংলাদেশ থেকে শেনজেন ট্যুরিস্ট ভিসার আকর্ষণ। আবার বাংলাদেশি ভ্রমণকারীদের সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তাও এই ভিসা নিয়ে, আর তার কারণও আছে: অফিসাররা টাকা, দেশের সাথে বন্ধন আর ভ্রমণ ইতিহাস খুঁটিয়ে দেখেন। ভালো খবর হলো, ঢাকার দূতাবাসগুলো পুরো প্রক্রিয়া লিখে রেখেছে। পরিষ্কার ও সামঞ্জস্যপূর্ণ ফাইল যাঁরা বানান, তাঁরাই নিজেদের সবচেয়ে ভালো সুযোগ দেন।
স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসায় যেকোনো ১৮০ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৯০ দিন ২৯টি শেনজেন দেশে ঘোরা যায়। ঢাকা থেকে আবেদন করতে হয় যে দেশে সবচেয়ে বেশি সময় থাকবেন তার VFS Global সেন্টারে। প্রাপ্তবয়স্কের ফি €৯০ (৬–১১ বছর: €৪৫; ৬-এর নিচে: ফ্রি), সাথে VFS সার্ভিস ফি। ঢাকার জার্মান দূতাবাস ১৫ কর্মদিবস প্রসেসিংয়ের কথা বলে (১৪ অক্টোবর ২০২৬-এ পড়া)।

বাংলাদেশিরা কোন দূতাবাসে আবেদন করবেন?
নিয়মটা সহজ: আবেদন করবেন আপনার মূল গন্তব্যের দেশে — যেখানে সবচেয়ে বেশি রাত থাকবেন। সমান রাত হলে যে দেশে প্রথম ঢুকবেন সেখানে। "অমুক দেশে সহজ" শুনে দেশ বাছাই করা একটা সাধারণ ভুল; বাছাই করা দূতাবাসের সাথে ভ্রমণসূচি না মিললে সেটাই প্রত্যাখ্যানের কারণ।
| বিষয় | অফিসিয়াল নিয়ম (ঢাকার জার্মান দূতাবাস) |
|---|---|
| প্রাপ্তবয়স্কের ফি | €৯০ |
| ৬–১১ বছরের শিশু | €৪৫ |
| ৬ বছরের নিচে | ফ্রি |
| VFS সার্ভিস ফি | €১৯.১৩ (জার্মানি) |
| প্রসেসিং | ১৫ কর্মদিবস, বেশিও লাগতে পারে |
| সবচেয়ে আগে আবেদন | ভ্রমণের ৬ মাস আগে |
| ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন | প্রয়োজন হলে ৳২৮,০০০ |
ফি দিতে হয় সেদিনের বিনিময় হারে টাকায়, আর ভিসা না হলে ফি ফেরত নেই। ডেনমার্কের VFS পাতায় বলা আছে কিছু ক্ষেত্রে ৪৫ দিন পর্যন্ত লাগতে পারে, তাই ভ্রমণের ছয়-আট সপ্তাহ আগে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন।
শেনজেন অফিসাররা কী দেখেন?
প্রতিটি শেনজেন দূতাবাস একটাই মূল প্রশ্ন করে: এই মানুষটি কি সময়মতো বাংলাদেশে ফিরবেন? অফিসারকে অনুমান করতে না দিয়ে আপনার ফাইলই যেন উত্তর দেয়।
- দেশের সাথে বন্ধন: ছুটির অনুমোদনসহ স্থায়ী চাকরি, ট্রেড লাইসেন্স ও ট্যাক্স রিটার্নসহ চালু ব্যবসা, অথবা ছাত্রত্ব।
- টাকা: নিয়মিত আয় দেখানো ছয় মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট, যার ব্যালান্সে স্বচ্ছন্দে ভ্রমণের খরচ চলে, সাথে সলভেন্সি সার্টিফিকেট।
- ভ্রমণ ইতিহাস: থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, জাপান বা যুক্তরাজ্যে আগের সফর অনেক কাজে দেয়। প্রথমবার ইউরোপ যাওয়াও সম্ভব, তবে ফাইল আরও শক্ত হতে হয়।
- সামঞ্জস্য: ছুটির চিঠি, ফ্লাইট রিজার্ভেশন, হোটেল বুকিং আর ইনস্যুরেন্সে একই তারিখ।
ঢাকায় VFS-এর মাধ্যমে ধাপে ধাপে কীভাবে আবেদন করবেন?
মূল গন্তব্য ঠিক করুন
প্রতিটি দেশে কত রাত, গুনে সঠিক দূতাবাস বাছুন।
VFS অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন
সেই দেশের অফিসিয়াল VFS Global পাতা ব্যবহার করুন; কয়েক সপ্তাহ আগেই স্লট ভরে যায়।
ফাইল তৈরি
ফর্ম, ছবি, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, চাকরি/ব্যবসা/ছাত্রত্বের কাগজ, বুকিং, ইনস্যুরেন্স, কভার লেটার।
উপস্থিতি ও বায়োমেট্রিক
VFS ফি ও ভিসা ফি টাকায় দিন; আঙুলের ছাপ ও ছবি নেওয়া হয়।
ট্র্যাক ও সংগ্রহ
অনলাইনে ট্র্যাক করুন; VFS থেকে পাসপোর্ট নিয়ে ভিসার তারিখ মিলিয়ে নিন।
ঢাকা থেকে শেনজেন ভ্রমণে কত খরচ?
সরাসরি উত্তর: দুই-তিনটি শেনজেন দেশে ১০ দিনের ভ্রমণে জনপ্রতি মোটামুটি ৳৩,০০,০০০–৫,০০,০০০ লাগে। ভিসা খরচের ছোট অংশ; বড় খরচ ফ্লাইট আর হোটেল।
| খাত | ৳ (আনুমানিক) |
|---|---|
| ভিসা + VFS ফি | ≈১৪,০০০–১৬,০০০ |
| ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স (€৩০,০০০ কভার) | ৩,০০০–৮,০০০ |
| ঢাকা–ইউরোপ রিটার্ন ফ্লাইট | ৯০,০০০–১,৬০,০০০ |
| হোটেল, ৯ রাত | ১,১০,০০০–২,১০,০০০ |
| খাবার, ১০ দিন | ৩৫,০০০–৬০,০০০ |
| শহর থেকে শহরে ট্রেন/বাস | ২৫,০০০–৫৫,০০০ |
| মোট | ≈ ২,৭৭,০০০–৫,০৯,০০০ |
শুধু আনুমানিক হিসাব, জনপ্রতি, অক্টোবর ২০২৬-এ প্রতি € প্রায় ৳১৩৭ ধরে। কোটেশন নয়।
শেনজেন ভিসার কাগজের তালিকায় কী কী থাকে?
- ১০ বছরের মধ্যে ইস্যু করা, ফেরার পর ৩ মাস মেয়াদি পাসপোর্ট
- পূরণ করা শেনজেন আবেদন ফর্ম ও দুটি ছবি
- ছয় মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও সলভেন্সি সার্টিফিকেট
- ছুটির অনুমোদনসহ চাকরির চিঠি, বা ট্রেড লাইসেন্স ও ট্যাক্স রিটার্ন
- ফ্লাইট রিজার্ভেশন ও প্রতি রাতের হোটেল বুকিং
- অন্তত €৩০,০০০ কভারের ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স
- কভার লেটার ও দিনভিত্তিক ভ্রমণসূচি
শেনজেন ভিসা প্রত্যাখ্যান কীভাবে এড়াবেন?
ঢাকা থেকে বেশিরভাগ প্রত্যাখ্যানে কারণ লেখা থাকে "উদ্দেশ্যের যথাযথ ব্যাখ্যা নেই" বা "ফিরে আসার ইচ্ছা নিয়ে যুক্তিসংগত সন্দেহ" (ট্রাভেল সাইটের তথ্য)। দুটোই আসে দুর্বল বা অমিল কাগজ থেকে, দুর্ভাগ্য থেকে নয়।
- রিফান্ডযোগ্য হোটেল আর ফ্লাইট রিজার্ভেশন নিন — ভিসার আগে দামি নন-রিফান্ডেবল টিকিট কিনবেন না।
- ছোট একটা কভার লেটার লিখুন: আপনি কে, কেন এই সফর, খরচ কে দিচ্ছেন, কবে ফিরবেন।
- আবেদনের ঠিক আগে হঠাৎ বড় জমা এড়িয়ে চলুন; থাকলে ব্যাখ্যা দিন।
- শেনজেনের নিয়ম অনুযায়ী ইনস্যুরেন্সে পুরো শেনজেন এলাকা আর অন্তত €৩০,০০০ চিকিৎসা খরচ কভার থাকতে হবে।
- প্রত্যাখ্যাত হলে কারণটা মন দিয়ে পড়ুন, ঠিক করে তারপর আবার আবেদন করুন।
- শুধু অফিসিয়াল পোর্টাল বা অফিসিয়ালি তালিকাভুক্ত এজেন্টের মাধ্যমে আবেদন করুন। এই গাইডের প্রতিটি ভিসার লিংক সরকারি বা দূতাবাসের পাতা। কোনো সাইট অফিসিয়াল ফির চেয়ে অনেক বেশি চাইলে বন্ধ করে দিন।
- সব জায়গায় নাম একরকম রাখুন। পাসপোর্ট, ভিসা ফর্ম, বিমানের টিকিট আর হোটেল বুকিংয়ে মাঝের নামসহ একই বানান থাকতে হবে। একটা অক্ষরের পার্থক্যেও চেক-ইনে আটকে যেতে পারেন।
- ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স কিনুন। বিদেশে চিকিৎসার জরুরি অবস্থায় পুরো সফরের চেয়েও বেশি খরচ হতে পারে। বাংলাদেশের কয়েকটি বিমা কোম্পানি কয়েক হাজার টাকায় স্বল্পমেয়াদি পলিসি দেয়।
- অফলাইনে কপি রাখুন। পাসপোর্ট, ভিসা, টিকিট ও বুকিংয়ের ছবি ফোনে আর ইমেইলে রাখুন, সাথে মূল কাগজ থেকে আলাদা করে এক সেট প্রিন্ট।
- সময়মতো ফিরুন। পরিষ্কার প্রবেশ-বহির্গমনের রেকর্ডই সফর থেকে আনা সবচেয়ে দামি জিনিস। পরের বার আবেদন করলে যুক্তরাজ্য, শেনজেন, জাপানসহ অন্যান্য দেশের অফিসাররা ঠিক এটাই দেখেন।
বাংলাদেশ থেকে টাকা-ডলার কীভাবে নেবেন?
সংক্ষেপে: যাওয়ার আগে পাসপোর্টে ডলার এনডোর্স করুন, পরিষ্কার US$ নোট ও একটি ইন্টারন্যাশনাল কার্ড সাথে রাখুন, আর যতটুকু দরকার ততটুকুই ভাঙান।
- ডলার এনডোর্সমেন্ট: ব্যাংক বা লাইসেন্সধারী মানি চেঞ্জার থেকে বৈদেশিক মুদ্রা কিনে পাসপোর্টে এনডোর্স করিয়ে নিন — এটা বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত বার্ষিক ট্রাভেল কোটার মধ্যে পড়ে। এনক্যাশমেন্ট সার্টিফিকেট পাসপোর্টের সাথে রাখুন।
- ইন্টারন্যাশনাল কার্ড: বাংলাদেশি ব্যাংকের ডুয়াল-কারেন্সি ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড দিয়ে হোটেল পেমেন্ট ও ইউরো তোলা সবচেয়ে নিরাপদ। ব্যাংককে আন্তর্জাতিক ব্যবহার চালু করতে বলুন এবং প্রতি লেনদেন ও দৈনিক সীমা জেনে নিন।
- পরিষ্কার নোট: নতুন, ছেঁড়া-ফাটা নয় এমন US$ নোট (সম্ভব হলে ২০১৩ বা পরের সিরিজ) ভালো রেট পায়; পুরোনো বা দাগওয়ালা নোট প্রায়ই নেওয়া হয় না।
- বুঝে ভাঙান: এয়ারপোর্টে শুধু যাতায়াতের জন্য অল্প ভাঙান, বাকিটা শহরের মানি চেঞ্জার বা এটিএম থেকে। বিদেশে টাকা (৳) ভাঙানোর চেষ্টা করবেন না — বাংলাদেশের বাইরে প্রায় কোথাও নেয় না।
- রেকর্ড রাখুন: কার্ড স্লিপ ও এনডোর্সমেন্ট রসিদ পরে যুক্তরাজ্য, শেনজেন বা স্টুডেন্ট ভিসার আবেদনে আপনার ভ্রমণ ইতিহাস পরিষ্কার দেখায়।
নিজে করার বদলে ওয়ান-টু-ওয়ান সাহায্য কেন নেবেন?
কারণ টাকা খরচ করার আগেই নিয়ম জানা একজন মানুষ আপনার পুরো পরিকল্পনা মিলিয়ে দেখেন। বেশিরভাগ ভ্রমণ ছোট কারণে ভেস্তে যায়: পাসপোর্টের মেয়াদ কম, বুকিংয়ের সাথে ভিসা ফর্মের তথ্য না মেলা, অনানুষ্ঠানিক সাইটে ফি দেওয়া, কিংবা ফেরার তারিখ পরীক্ষা বা অফিসের সাথে সংঘাত। নিজে করা সম্ভব — এই পাতার অফিসিয়াল লিংকগুলোই যথেষ্ট — কিন্তু অভিজ্ঞ কেউ পাশে থাকলে পুরো প্রক্রিয়াটা পরিষ্কার, দ্রুত আর ভুলের ঝুঁকি অনেক কম হয়।
Eduvisa-র ওয়ান-টু-ওয়ান সার্ভিসে কী থাকে?
- একজন নির্দিষ্ট পরামর্শক, যিনি প্রথম কথা থেকে দেশে ফেরা পর্যন্ত আপনার ফাইল দেখেন — একই কথা বারবার বলতে হয় না।
- আপনার কেসের জন্য আলাদা ডকুমেন্ট চেকলিস্ট — পাসপোর্ট, ছবি, ব্যাংকের কাগজ, বুকিং, চিঠি — জমা দেওয়ার আগে যাচাই করা।
- বাজেট ও ভ্রমণসূচি পরিকল্পনা, ঢাকা থেকে বাস্তবসম্মত খরচসহ, ছুটি ও ভাড়া বাড়ার সময় মাথায় রেখে।
- শুধু অফিসিয়াল পোর্টালে আবেদন সহায়তা, প্রতিটি ফি ও রসিদের রেকর্ডসহ।
- ভ্রমণ ইতিহাসের পরিকল্পনা, যাতে এই সফর ভবিষ্যতের যুক্তরাজ্য, শেনজেন বা স্টুডেন্ট ভিসার আবেদনকে শক্ত করে।
Eduvisa মেম্বারশিপ কার্ড কী?
প্রত্যেক স্টুডেন্ট বা ট্যুরিস্ট ক্লায়েন্ট একটি ব্যক্তিগত ক্লায়েন্ট আইডিসহ Eduvisa মেম্বারশিপ কার্ড পান। কার্ডের ওয়েবসাইট লাইনে লেখা থাকে getbesthost.com/eduvisa: সেখানে ক্লায়েন্ট আইডি দিয়ে ঢুকে আপনার প্রসেসিং স্ট্যাটাস ট্র্যাক করতে পারবেন, সব ডকুমেন্ট এক জায়গায় দেখতে পারবেন এবং যত পেমেন্ট করেছেন তার সবই দেখতে পারবেন।
কাজের অগ্রগতি ও পেমেন্ট কীভাবে যাচাই করবেন?
আমাদের ভেরিফায়েড ক্লায়েন্ট পোর্টাল getbesthost.com/eduvisa-এ ধাপে ধাপে দেখা যায় আপনার কাজ কতদূর এগিয়েছে, আর প্রতিটি পেমেন্ট গ্রহণ ও রেকর্ড হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করা যায়। ফোন করে জিজ্ঞেস না করেই আপনি জানবেন ফাইল কোথায় আছে — পরিবারকেও দেখাতে পারবেন কী কী পেমেন্ট হয়েছে এবং কেন।
সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
বাংলাদেশ থেকে শেনজেন ভিসার ফি কত?
প্রাপ্তবয়স্ক €৯০, ৬–১১ বছর €৪৫, ৬-এর নিচে ফ্রি — টাকায় দিতে হয়, সাথে VFS সার্ভিস ফি; প্রত্যাখ্যাত হলে ফেরত নেই।
ঢাকায় শেনজেন ভিসা হতে কত দিন লাগে?
জার্মান দূতাবাস ১৫ কর্মদিবস বলে; অন্য দূতাবাস জানায় জটিল ক্ষেত্রে ৪৫ দিন পর্যন্ত লাগতে পারে।
ব্যাংকে কত টাকা থাকতে হয়?
অফিসিয়াল একক কোনো অঙ্ক নেই; ব্যালান্স ও আয় দিয়ে পুরো ভ্রমণের খরচ পরিষ্কারভাবে চলতে হবে এবং নিয়মিত লেনদেনের ইতিহাস দেখাতে হবে।
ভ্রমণ ইতিহাস ছাড়া কি আবেদন করা যায়?
হ্যাঁ, তবে চাকরি, টাকা আর দেশের সাথে বন্ধন — বাকি ফাইল শক্ত ও সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
কোন দেশে আবেদন করব?
যে দেশে সবচেয়ে বেশি রাত থাকবেন; সমান হলে প্রথম যে দেশে ঢুকবেন।
- ঢাকার জার্মান দূতাবাস — শেনজেন ভিসা — ১৪ অক্টো ২০২৬-এ পড়া
- ঢাকার জার্মান দূতাবাস — VFS Global-এ আউটসোর্সিং — ১৪ অক্টো ২০২৬-এ পড়া
- VFS Global — ডেনমার্ক ভিসা তথ্য, বাংলাদেশ — ১৪ অক্টো ২০২৬-এ পড়া
ওপরের ফি ও নিয়ম এই সরকারি পাতাগুলো থেকে নেওয়া, ১৪ অক্টোবর ২০২৬-এ পড়া। টাকার হিসাবগুলো আনুমানিক। "ট্রাভেল সাইটের তথ্য" লেখা অংশ অফিসিয়াল পাতা থেকে নয়।
আরও পড়ুন: ট্যুরিস্ট ভিসা: মাল্টা, ইতালি, যুক্তরাজ্য ও আরও · বাংলাদেশ থেকে বাজেট গন্তব্য · যুক্তরাজ্যের ভিজিট ভিসা
শেনজেনে আবেদন করছেন? VFS-এ যাওয়ার আগে ফাইলটা দেখিয়ে নিন।
€৯০ দেওয়ার আগেই আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ভ্রমণসূচি আর কভার লেটার মিলিয়ে দেখব, যাতে সব কাগজ একই গল্প বলে।
ফ্রি পরামর্শ বুক করুন →


