Skip to main content
← ব্লগে ফিরে যান

বাংলাদেশ থেকে শেনজেন ট্যুরিস্ট ভিসা ২০২৭: ফি, কাগজ ও টিপস

বাংলাদেশ থেকে শেনজেন ট্যুরিস্ট ভিসা ২০২৭: €৯০ ফি, ঢাকায় VFS-এর প্রক্রিয়া, কাগজপত্র, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ১৫ দিনের প্রসেসিং আর সঠিক দূতাবাস বাছাই।

প্রকাশিত 14 Oct, 2026 germany france ইতালি

Read in English →
বাংলাদেশ থেকে শেনজেন ট্যুরিস্ট ভিসা ২০২৭: ফি, কাগজ ও টিপস

এক ভিসায় প্যারিস, রোম, প্রাগ আর সুইস আল্পস — এটাই বাংলাদেশ থেকে শেনজেন ট্যুরিস্ট ভিসার আকর্ষণ। আবার বাংলাদেশি ভ্রমণকারীদের সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তাও এই ভিসা নিয়ে, আর তার কারণও আছে: অফিসাররা টাকা, দেশের সাথে বন্ধন আর ভ্রমণ ইতিহাস খুঁটিয়ে দেখেন। ভালো খবর হলো, ঢাকার দূতাবাসগুলো পুরো প্রক্রিয়া লিখে রেখেছে। পরিষ্কার ও সামঞ্জস্যপূর্ণ ফাইল যাঁরা বানান, তাঁরাই নিজেদের সবচেয়ে ভালো সুযোগ দেন।

€৯০প্রাপ্তবয়স্কের শেনজেন ভিসা ফি
১৫ দিনসাধারণ প্রসেসিং (জার্মানি)
৯০/১৮০১৮০ দিনে সর্বোচ্চ ৯০ দিন
বসন্তে প্যারিসের আইফেল টাওয়ার, বাংলাদেশ থেকে শেনজেন ট্যুরিস্ট ভিসায় স্বপ্নের গন্তব্য
বসন্তের প্যারিস — ঢাকায় VFS সেন্টার থাকা শেনজেন দেশগুলোর একটি ফ্রান্স। ছবি: Jorge Royan, Wikimedia Commons, CC BY-SA 3.0 (cropped).

বাংলাদেশিরা কোন দূতাবাসে আবেদন করবেন?

নিয়মটা সহজ: আবেদন করবেন আপনার মূল গন্তব্যের দেশে — যেখানে সবচেয়ে বেশি রাত থাকবেন। সমান রাত হলে যে দেশে প্রথম ঢুকবেন সেখানে। "অমুক দেশে সহজ" শুনে দেশ বাছাই করা একটা সাধারণ ভুল; বাছাই করা দূতাবাসের সাথে ভ্রমণসূচি না মিললে সেটাই প্রত্যাখ্যানের কারণ।

বিষয়অফিসিয়াল নিয়ম (ঢাকার জার্মান দূতাবাস)
প্রাপ্তবয়স্কের ফি€৯০
৬–১১ বছরের শিশু€৪৫
৬ বছরের নিচেফ্রি
VFS সার্ভিস ফি€১৯.১৩ (জার্মানি)
প্রসেসিং১৫ কর্মদিবস, বেশিও লাগতে পারে
সবচেয়ে আগে আবেদনভ্রমণের ৬ মাস আগে
ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশনপ্রয়োজন হলে ৳২৮,০০০

ফি দিতে হয় সেদিনের বিনিময় হারে টাকায়, আর ভিসা না হলে ফি ফেরত নেই। ডেনমার্কের VFS পাতায় বলা আছে কিছু ক্ষেত্রে ৪৫ দিন পর্যন্ত লাগতে পারে, তাই ভ্রমণের ছয়-আট সপ্তাহ আগে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন।

শেনজেন অফিসাররা কী দেখেন?

প্রতিটি শেনজেন দূতাবাস একটাই মূল প্রশ্ন করে: এই মানুষটি কি সময়মতো বাংলাদেশে ফিরবেন? অফিসারকে অনুমান করতে না দিয়ে আপনার ফাইলই যেন উত্তর দেয়।

  • দেশের সাথে বন্ধন: ছুটির অনুমোদনসহ স্থায়ী চাকরি, ট্রেড লাইসেন্স ও ট্যাক্স রিটার্নসহ চালু ব্যবসা, অথবা ছাত্রত্ব।
  • টাকা: নিয়মিত আয় দেখানো ছয় মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট, যার ব্যালান্সে স্বচ্ছন্দে ভ্রমণের খরচ চলে, সাথে সলভেন্সি সার্টিফিকেট।
  • ভ্রমণ ইতিহাস: থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, জাপান বা যুক্তরাজ্যে আগের সফর অনেক কাজে দেয়। প্রথমবার ইউরোপ যাওয়াও সম্ভব, তবে ফাইল আরও শক্ত হতে হয়।
  • সামঞ্জস্য: ছুটির চিঠি, ফ্লাইট রিজার্ভেশন, হোটেল বুকিং আর ইনস্যুরেন্সে একই তারিখ।

ঢাকায় VFS-এর মাধ্যমে ধাপে ধাপে কীভাবে আবেদন করবেন?

1

মূল গন্তব্য ঠিক করুন

প্রতিটি দেশে কত রাত, গুনে সঠিক দূতাবাস বাছুন।

2

VFS অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন

সেই দেশের অফিসিয়াল VFS Global পাতা ব্যবহার করুন; কয়েক সপ্তাহ আগেই স্লট ভরে যায়।

3

ফাইল তৈরি

ফর্ম, ছবি, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, চাকরি/ব্যবসা/ছাত্রত্বের কাগজ, বুকিং, ইনস্যুরেন্স, কভার লেটার।

4

উপস্থিতি ও বায়োমেট্রিক

VFS ফি ও ভিসা ফি টাকায় দিন; আঙুলের ছাপ ও ছবি নেওয়া হয়।

5

ট্র্যাক ও সংগ্রহ

অনলাইনে ট্র্যাক করুন; VFS থেকে পাসপোর্ট নিয়ে ভিসার তারিখ মিলিয়ে নিন।

ঢাকা থেকে শেনজেন ভ্রমণে কত খরচ?

সরাসরি উত্তর: দুই-তিনটি শেনজেন দেশে ১০ দিনের ভ্রমণে জনপ্রতি মোটামুটি ৳৩,০০,০০০–৫,০০,০০০ লাগে। ভিসা খরচের ছোট অংশ; বড় খরচ ফ্লাইট আর হোটেল।

খাত৳ (আনুমানিক)
ভিসা + VFS ফি≈১৪,০০০–১৬,০০০
ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স (€৩০,০০০ কভার)৩,০০০–৮,০০০
ঢাকা–ইউরোপ রিটার্ন ফ্লাইট৯০,০০০–১,৬০,০০০
হোটেল, ৯ রাত১,১০,০০০–২,১০,০০০
খাবার, ১০ দিন৩৫,০০০–৬০,০০০
শহর থেকে শহরে ট্রেন/বাস২৫,০০০–৫৫,০০০
মোট≈ ২,৭৭,০০০–৫,০৯,০০০

শুধু আনুমানিক হিসাব, জনপ্রতি, অক্টোবর ২০২৬-এ প্রতি € প্রায় ৳১৩৭ ধরে। কোটেশন নয়।

শেনজেন ভিসার কাগজের তালিকায় কী কী থাকে?

  • ১০ বছরের মধ্যে ইস্যু করা, ফেরার পর ৩ মাস মেয়াদি পাসপোর্ট
  • পূরণ করা শেনজেন আবেদন ফর্ম ও দুটি ছবি
  • ছয় মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও সলভেন্সি সার্টিফিকেট
  • ছুটির অনুমোদনসহ চাকরির চিঠি, বা ট্রেড লাইসেন্স ও ট্যাক্স রিটার্ন
  • ফ্লাইট রিজার্ভেশন ও প্রতি রাতের হোটেল বুকিং
  • অন্তত €৩০,০০০ কভারের ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স
  • কভার লেটার ও দিনভিত্তিক ভ্রমণসূচি

শেনজেন ভিসা প্রত্যাখ্যান কীভাবে এড়াবেন?

ঢাকা থেকে বেশিরভাগ প্রত্যাখ্যানে কারণ লেখা থাকে "উদ্দেশ্যের যথাযথ ব্যাখ্যা নেই" বা "ফিরে আসার ইচ্ছা নিয়ে যুক্তিসংগত সন্দেহ" (ট্রাভেল সাইটের তথ্য)। দুটোই আসে দুর্বল বা অমিল কাগজ থেকে, দুর্ভাগ্য থেকে নয়।

  • রিফান্ডযোগ্য হোটেল আর ফ্লাইট রিজার্ভেশন নিন — ভিসার আগে দামি নন-রিফান্ডেবল টিকিট কিনবেন না।
  • ছোট একটা কভার লেটার লিখুন: আপনি কে, কেন এই সফর, খরচ কে দিচ্ছেন, কবে ফিরবেন।
  • আবেদনের ঠিক আগে হঠাৎ বড় জমা এড়িয়ে চলুন; থাকলে ব্যাখ্যা দিন।
  • শেনজেনের নিয়ম অনুযায়ী ইনস্যুরেন্সে পুরো শেনজেন এলাকা আর অন্তত €৩০,০০০ চিকিৎসা খরচ কভার থাকতে হবে।
  • প্রত্যাখ্যাত হলে কারণটা মন দিয়ে পড়ুন, ঠিক করে তারপর আবার আবেদন করুন।
মনে রাখুন: প্রতিটি দূতাবাস নিজের VFS পাতায় আলাদা চেকলিস্ট দেয়। মূল গন্তব্যের চেকলিস্ট নিন আর ঠিক সেই ক্রমে কাগজ সাজান; কাগজ বাদ পড়াই প্রত্যাখ্যানের সবচেয়ে দ্রুত পথ।

বাংলাদেশ থেকে টাকা-ডলার কীভাবে নেবেন?

সংক্ষেপে: যাওয়ার আগে পাসপোর্টে ডলার এনডোর্স করুন, পরিষ্কার US$ নোট ও একটি ইন্টারন্যাশনাল কার্ড সাথে রাখুন, আর যতটুকু দরকার ততটুকুই ভাঙান।

  • ডলার এনডোর্সমেন্ট: ব্যাংক বা লাইসেন্সধারী মানি চেঞ্জার থেকে বৈদেশিক মুদ্রা কিনে পাসপোর্টে এনডোর্স করিয়ে নিন — এটা বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত বার্ষিক ট্রাভেল কোটার মধ্যে পড়ে। এনক্যাশমেন্ট সার্টিফিকেট পাসপোর্টের সাথে রাখুন।
  • ইন্টারন্যাশনাল কার্ড: বাংলাদেশি ব্যাংকের ডুয়াল-কারেন্সি ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড দিয়ে হোটেল পেমেন্ট ও ইউরো তোলা সবচেয়ে নিরাপদ। ব্যাংককে আন্তর্জাতিক ব্যবহার চালু করতে বলুন এবং প্রতি লেনদেন ও দৈনিক সীমা জেনে নিন।
  • পরিষ্কার নোট: নতুন, ছেঁড়া-ফাটা নয় এমন US$ নোট (সম্ভব হলে ২০১৩ বা পরের সিরিজ) ভালো রেট পায়; পুরোনো বা দাগওয়ালা নোট প্রায়ই নেওয়া হয় না।
  • বুঝে ভাঙান: এয়ারপোর্টে শুধু যাতায়াতের জন্য অল্প ভাঙান, বাকিটা শহরের মানি চেঞ্জার বা এটিএম থেকে। বিদেশে টাকা (৳) ভাঙানোর চেষ্টা করবেন না — বাংলাদেশের বাইরে প্রায় কোথাও নেয় না।
  • রেকর্ড রাখুন: কার্ড স্লিপ ও এনডোর্সমেন্ট রসিদ পরে যুক্তরাজ্য, শেনজেন বা স্টুডেন্ট ভিসার আবেদনে আপনার ভ্রমণ ইতিহাস পরিষ্কার দেখায়।

নিজে করার বদলে ওয়ান-টু-ওয়ান সাহায্য কেন নেবেন?

কারণ টাকা খরচ করার আগেই নিয়ম জানা একজন মানুষ আপনার পুরো পরিকল্পনা মিলিয়ে দেখেন। বেশিরভাগ ভ্রমণ ছোট কারণে ভেস্তে যায়: পাসপোর্টের মেয়াদ কম, বুকিংয়ের সাথে ভিসা ফর্মের তথ্য না মেলা, অনানুষ্ঠানিক সাইটে ফি দেওয়া, কিংবা ফেরার তারিখ পরীক্ষা বা অফিসের সাথে সংঘাত। নিজে করা সম্ভব — এই পাতার অফিসিয়াল লিংকগুলোই যথেষ্ট — কিন্তু অভিজ্ঞ কেউ পাশে থাকলে পুরো প্রক্রিয়াটা পরিষ্কার, দ্রুত আর ভুলের ঝুঁকি অনেক কম হয়।

Eduvisa-র ওয়ান-টু-ওয়ান সার্ভিসে কী থাকে?

  • একজন নির্দিষ্ট পরামর্শক, যিনি প্রথম কথা থেকে দেশে ফেরা পর্যন্ত আপনার ফাইল দেখেন — একই কথা বারবার বলতে হয় না।
  • আপনার কেসের জন্য আলাদা ডকুমেন্ট চেকলিস্ট — পাসপোর্ট, ছবি, ব্যাংকের কাগজ, বুকিং, চিঠি — জমা দেওয়ার আগে যাচাই করা।
  • বাজেট ও ভ্রমণসূচি পরিকল্পনা, ঢাকা থেকে বাস্তবসম্মত খরচসহ, ছুটি ও ভাড়া বাড়ার সময় মাথায় রেখে।
  • শুধু অফিসিয়াল পোর্টালে আবেদন সহায়তা, প্রতিটি ফি ও রসিদের রেকর্ডসহ।
  • ভ্রমণ ইতিহাসের পরিকল্পনা, যাতে এই সফর ভবিষ্যতের যুক্তরাজ্য, শেনজেন বা স্টুডেন্ট ভিসার আবেদনকে শক্ত করে।

Eduvisa মেম্বারশিপ কার্ড কী?

প্রত্যেক স্টুডেন্ট বা ট্যুরিস্ট ক্লায়েন্ট একটি ব্যক্তিগত ক্লায়েন্ট আইডিসহ Eduvisa মেম্বারশিপ কার্ড পান। কার্ডের ওয়েবসাইট লাইনে লেখা থাকে getbesthost.com/eduvisa: সেখানে ক্লায়েন্ট আইডি দিয়ে ঢুকে আপনার প্রসেসিং স্ট্যাটাস ট্র্যাক করতে পারবেন, সব ডকুমেন্ট এক জায়গায় দেখতে পারবেন এবং যত পেমেন্ট করেছেন তার সবই দেখতে পারবেন।

কাজের অগ্রগতি ও পেমেন্ট কীভাবে যাচাই করবেন?

আমাদের ভেরিফায়েড ক্লায়েন্ট পোর্টাল getbesthost.com/eduvisa-এ ধাপে ধাপে দেখা যায় আপনার কাজ কতদূর এগিয়েছে, আর প্রতিটি পেমেন্ট গ্রহণ ও রেকর্ড হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করা যায়। ফোন করে জিজ্ঞেস না করেই আপনি জানবেন ফাইল কোথায় আছে — পরিবারকেও দেখাতে পারবেন কী কী পেমেন্ট হয়েছে এবং কেন।

সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

বাংলাদেশ থেকে শেনজেন ভিসার ফি কত?

প্রাপ্তবয়স্ক €৯০, ৬–১১ বছর €৪৫, ৬-এর নিচে ফ্রি — টাকায় দিতে হয়, সাথে VFS সার্ভিস ফি; প্রত্যাখ্যাত হলে ফেরত নেই।

ঢাকায় শেনজেন ভিসা হতে কত দিন লাগে?

জার্মান দূতাবাস ১৫ কর্মদিবস বলে; অন্য দূতাবাস জানায় জটিল ক্ষেত্রে ৪৫ দিন পর্যন্ত লাগতে পারে।

ব্যাংকে কত টাকা থাকতে হয়?

অফিসিয়াল একক কোনো অঙ্ক নেই; ব্যালান্স ও আয় দিয়ে পুরো ভ্রমণের খরচ পরিষ্কারভাবে চলতে হবে এবং নিয়মিত লেনদেনের ইতিহাস দেখাতে হবে।

ভ্রমণ ইতিহাস ছাড়া কি আবেদন করা যায়?

হ্যাঁ, তবে চাকরি, টাকা আর দেশের সাথে বন্ধন — বাকি ফাইল শক্ত ও সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

কোন দেশে আবেদন করব?

যে দেশে সবচেয়ে বেশি রাত থাকবেন; সমান হলে প্রথম যে দেশে ঢুকবেন।

আরও পড়ুন: ট্যুরিস্ট ভিসা: মাল্টা, ইতালি, যুক্তরাজ্য ও আরও · বাংলাদেশ থেকে বাজেট গন্তব্য · যুক্তরাজ্যের ভিজিট ভিসা

শেনজেনে আবেদন করছেন? VFS-এ যাওয়ার আগে ফাইলটা দেখিয়ে নিন।

€৯০ দেওয়ার আগেই আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ভ্রমণসূচি আর কভার লেটার মিলিয়ে দেখব, যাতে সব কাগজ একই গল্প বলে।

ফ্রি পরামর্শ বুক করুন →

সম্পর্কিত পোস্ট

বাংলাদেশ থেকে ট্যুরিস্ট ভিসা ২০২৭: মাল্টা, ইতালি, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া ও সাইপ্রাস

বাংলাদেশ থেকে ট্যুরিস্ট ভিসা ২০২৭: মাল্টা, ইতালি, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া ও সাইপ্রাস

মাল্টা, ইতালি, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া ও সাইপ্রাসের ট্যুরিস্ট ভিসা: কোন ভিসা লাগে, কী কাগজ লাগে, ব্যাংক স্টেটমেন্টের ঝুঁকি, ভ্রমণ ইতিহাস ও বাতিলের সাধারণ কারণ।

আরও পড়ুন
২০২৭ সালে বাংলাদেশ থেকে France স্টুডেন্ট ভিসা: আসল প্রক্রিয়া

২০২৭ সালে বাংলাদেশ থেকে France স্টুডেন্ট ভিসা: আসল প্রক্রিয়া

২০২৭ সালে বাংলাদেশ থেকে France স্টুডেন্ট ভিসা: বাংলাদেশ Études en France দেশ নয়, তাই আপনার পথ ও ফি আলাদা। আসলে কী প্রযোজ্য, জেনে নিন।

আরও পড়ুন
ইতালিতে পড়াশোনার পর কাজের ভিসা: বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের গাইড ২০২৭

ইতালিতে পড়াশোনার পর কাজের ভিসা: বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের গাইড ২০২৭

ইতালিতে পড়াশোনার পর কাজের ভিসা ২০২৭: বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ৯-১২ মাসের চাকরি খোঁজার পারমিট, ২০২৩ থেকে কোটামুক্ত রূপান্তর, টাকায় প্রকৃত খরচ আর যে সময়সীমা পেরোলে সব শেষ।

আরও পড়ুন

আপনার নিজের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন আছে?

একটি ব্লগ পোস্টে যতটুকু বলা যায়, তার বেশি কিছু না। আপনার নির্দিষ্ট পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের সাথে কথা বলুন।

ফ্রি কনসালটেশন বুক করুন