Skip to main content
← ব্লগে ফিরে যান

বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্য ভিজিট ভিসা ২০২৭: £১৩৫ ফি, কাগজ ও সময়

বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্যের ভিজিট ভিসা ২০২৭: নতুন £১৩৫ ফি, কাগজপত্র, ব্যাংক স্টেটমেন্টের টিপস, ঢাকার VFS-এ সময়, দীর্ঘমেয়াদি ভিসা আর খরচ।

প্রকাশিত 14 Oct, 2026 যুক্তরাজ্য

Read in English →
বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্য ভিজিট ভিসা ২০২৭: £১৩৫ ফি, কাগজ ও সময়

লন্ডনে পড়তে যাওয়া সন্তানকে দেখতে যাওয়া পরিবার, লর্ডসের পথে ক্রিকেটপ্রেমী, ট্রেড ফেয়ারে ব্যবসায়ী — বাংলাদেশিদের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য যুক্তরাজ্য। "লন্ডন ভিসা প্রাইস ইন বাংলাদেশ" খুঁজলে অনেক পাতায় এখনো পুরোনো £১২৭ ফি দেখায়। ২০২৬ সালের ৮ এপ্রিল থেকে যুক্তরাজ্যের ভিজিট ভিসার ফি £১৩৫, আর বাকি প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বেশি কাজে দেয় যত্ন নিয়ে গোছানো কাগজ।

£১৩৫স্ট্যান্ডার্ড ভিজিটর ভিসা (৬ মাস)
৩ মাসভ্রমণের সর্বোচ্চ যত আগে আবেদন
২/৫/১০ বছরদীর্ঘমেয়াদি ভিসার সুযোগ
লন্ডনের টেমস নদীর ওপর টাওয়ার ব্রিজ, বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্য ভিজিট ভিসায় ভ্রমণের আকর্ষণ
লন্ডনের টাওয়ার ব্রিজ — টাওয়ার অব লন্ডন আর সাউথ ব্যাংক থেকে হেঁটেই যাওয়া যায়। ছবি: Colin, Wikimedia Commons, CC BY-SA 4.0 (cropped).

২০২৭ সালে যুক্তরাজ্যের ভিজিট ভিসায় কত খরচ?

হোম অফিস ২০২৬ সালের ৮ এপ্রিল ভিজিট ভিসার ফি বাড়িয়েছে, আর ৮ অক্টোবর ২০২৬-এর হালনাগাদে তা অপরিবর্তিত রেখেছে। অফিসিয়াল অঙ্কগুলো:

ভিসাফিথাকা
স্ট্যান্ডার্ড ভিজিটর£১৩৫৬ মাস
চিকিৎসার জন্য ভিজিটর£২৩৪১১ মাস
একাডেমিক ভিজিটর£২৩৪১২ মাস
দীর্ঘমেয়াদি, ২ বছর£৫০৬প্রতি সফরে ৬ মাস
দীর্ঘমেয়াদি, ৫ বছর£৯০৩প্রতি সফরে ৬ মাস
দীর্ঘমেয়াদি, ১০ বছর£১,১২৮প্রতি সফরে ৬ মাস

ফি অনলাইনে পাউন্ডে দিতে হয়। VFS Global-এর ঐচ্ছিক সেবা (প্রায়োরিটি, কুরিয়ার, ডকুমেন্ট স্ক্যান) আলাদা। দীর্ঘমেয়াদি ভিসায় প্রতি সফরে বেশি দিন থাকা যায় না; ঘন ঘন গেলে বারবার আবেদনের ঝামেলা বাঁচে।

যুক্তরাজ্যের কেসওয়ার্কার কী দেখতে চান?

ভিজিটর নিয়মে দেখা হয় আপনি প্রকৃত ভিজিটর কিনা — সফর শেষে ফিরবেন, খরচ চালাতে পারবেন, আর ঘন ঘন এসে সেখানে কাজ বা বসবাস করবেন না। কাগজ দিয়ে প্রতিটি বিষয় প্রমাণ করতে হবে:

  • উদ্দেশ্য: পরিষ্কার কারণ — ভ্রমণসূচি, সমাবর্তনের আমন্ত্রণ, ব্যবসায়িক মিটিংয়ের চিঠি, বা আয়োজকের স্ট্যাটাসের কাগজসহ পারিবারিক আমন্ত্রণ।
  • টাকা: বেতন বা ব্যবসার আয় দেখানো ছয় মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট, সাথে ট্যাক্স রিটার্ন। ব্যাখ্যাহীন বড় জমা ফাইল দুর্বল করে।
  • বন্ধন: ছুটির অনুমোদনসহ চাকরির চিঠি, ব্যবসার কাগজ, সম্পত্তির দলিল, দেশে পরিবার।
  • ইতিহাস: আগের ভিসা ও ভ্রমণ। আগের সব প্রত্যাখ্যান সততার সাথে জানান — গোপন করলে নিষেধাজ্ঞা হতে পারে।

বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্যের ভিজিট ভিসার আবেদন ধাপে ধাপে কীভাবে করবেন?

1

GOV.UK-এ অনলাইন আবেদন

স্ট্যান্ডার্ড ভিজিটর বেছে নিন, সততার সাথে ফর্ম পূরণ করুন, £১৩৫ দিন।

2

ঢাকার VFS বুক করুন

বায়োমেট্রিকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন; সুযোগ থাকলে কাগজ আপলোড করুন।

3

কাগজ আপলোড বা সাথে নিন

পাসপোর্ট, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, আয় ও ট্যাক্সের প্রমাণ, আমন্ত্রণ, ভ্রমণসূচি।

4

বায়োমেট্রিক দিন

ভিসা আবেদন কেন্দ্রে আঙুলের ছাপ ও ছবি।

5

অপেক্ষা ও সংগ্রহ

সাধারণত তিন সপ্তাহে সিদ্ধান্ত; পাসপোর্ট নিয়ে ভিনিয়েটের তথ্য মিলিয়ে নিন।

ঢাকা থেকে যুক্তরাজ্যের ভিজিট ভিসা হতে কত দিন লাগে?

GOV.UK বলছে, যুক্তরাজ্যের বাইরে থেকে আবেদন করলে সাধারণত বায়োমেট্রিক অ্যাপয়েন্টমেন্টের তিন সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত আসে। বাড়তি টাকায় প্রায়োরিটি সেবা পাওয়া যেতে পারে। গ্রীষ্মে আর বড়দিনের আগে অ্যাপয়েন্টমেন্টের অপেক্ষা বাড়ে (ট্রাভেল সাইটের তথ্য)।

লন্ডন ও আরেকটি শহরে ১০ দিনের আনুমানিক খরচ:

খাত৳ (আনুমানিক)
ভিসা ফি (£১৩৫)≈২২,০০০
ঢাকা–লন্ডন রিটার্ন ফ্লাইট৯০,০০০–১,৬০,০০০
থাকা, ৯ রাত৯০,০০০–১,৮০,০০০
খাবার ও অয়েস্টার/কন্ট্যাক্টলেস যাতায়াত৪৫,০০০–৭৫,০০০
দর্শনীয় স্থান, সিম, অন্যান্য১৫,০০০–৩৫,০০০
মোট≈ ২,৬২,০০০–৪,৭২,০০০

শুধু আনুমানিক হিসাব, জনপ্রতি, অক্টোবর ২০২৬-এ প্রতি £ প্রায় ৳১৬২ ধরে। কোটেশন নয়।

যুক্তরাজ্যের ভিজিট ভিসার চেকলিস্টে কী কী থাকে?

  • বৈধ পাসপোর্ট ও সব পুরোনো পাসপোর্ট
  • ছয় মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও সলভেন্সি সার্টিফিকেট
  • বেতনের স্লিপ বা ব্যবসার কাগজ ও ট্যাক্স রিটার্ন
  • অফিসের ছুটির চিঠি বা ব্যবসার মালিকানার প্রমাণ
  • আমন্ত্রণপত্র ও আয়োজকের যুক্তরাজ্যের স্ট্যাটাস (পরিবারের কাছে গেলে)
  • তারিখ ও থাকার জায়গাসহ ভ্রমণ পরিকল্পনা
  • বাংলা কাগজের ইংরেজি অনুবাদ

ভিজিট ভিসা থেকে কি পড়াশোনা বা কাজে যাওয়া যায়?

স্ট্যান্ডার্ড ভিজিটর ছয় মাস পর্যন্ত কোর্স করতে আর মিটিং বা কনফারেন্সে যেতে পারেন, কিন্তু বেতনের কাজ বা যুক্তরাজ্যের ভেতর থেকে ওয়ার্ক ভিসায় বদল করতে পারেন না। ডিগ্রি পড়তে চাইলে লাগবে স্টুডেন্ট ভিসা — আমাদের যুক্তরাজ্যের স্টুডেন্ট গাইডগুলো দেখুন। তবে নিয়ম মেনে করা একটা যুক্তরাজ্য সফর যেকোনো দেশের ভবিষ্যৎ আবেদনকে শক্ত করে।

মনে রাখুন: ফর্মের প্রতিটি তারিখ ও অঙ্ক যেন কাগজের সাথে মেলে। ভালো আবেদনকারীর প্রত্যাখ্যানের সবচেয়ে সাধারণ কারণ কম ব্যালান্স নয় — অমিল।

বাংলাদেশ থেকে টাকা-ডলার কীভাবে নেবেন?

সংক্ষেপে: যাওয়ার আগে পাসপোর্টে ডলার এনডোর্স করুন, পরিষ্কার US$ নোট ও একটি ইন্টারন্যাশনাল কার্ড সাথে রাখুন, আর যতটুকু দরকার ততটুকুই ভাঙান।

  • ডলার এনডোর্সমেন্ট: ব্যাংক বা লাইসেন্সধারী মানি চেঞ্জার থেকে বৈদেশিক মুদ্রা কিনে পাসপোর্টে এনডোর্স করিয়ে নিন — এটা বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত বার্ষিক ট্রাভেল কোটার মধ্যে পড়ে। এনক্যাশমেন্ট সার্টিফিকেট পাসপোর্টের সাথে রাখুন।
  • ইন্টারন্যাশনাল কার্ড: বাংলাদেশি ব্যাংকের ডুয়াল-কারেন্সি ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড দিয়ে হোটেল পেমেন্ট ও পাউন্ড তোলা সবচেয়ে নিরাপদ। ব্যাংককে আন্তর্জাতিক ব্যবহার চালু করতে বলুন এবং প্রতি লেনদেন ও দৈনিক সীমা জেনে নিন।
  • পরিষ্কার নোট: নতুন, ছেঁড়া-ফাটা নয় এমন US$ নোট (সম্ভব হলে ২০১৩ বা পরের সিরিজ) ভালো রেট পায়; পুরোনো বা দাগওয়ালা নোট প্রায়ই নেওয়া হয় না।
  • বুঝে ভাঙান: এয়ারপোর্টে শুধু যাতায়াতের জন্য অল্প ভাঙান, বাকিটা শহরের মানি চেঞ্জার বা এটিএম থেকে। বিদেশে টাকা (৳) ভাঙানোর চেষ্টা করবেন না — বাংলাদেশের বাইরে প্রায় কোথাও নেয় না।
  • রেকর্ড রাখুন: কার্ড স্লিপ ও এনডোর্সমেন্ট রসিদ পরে যুক্তরাজ্য, শেনজেন বা স্টুডেন্ট ভিসার আবেদনে আপনার ভ্রমণ ইতিহাস পরিষ্কার দেখায়।

নিজে করার বদলে ওয়ান-টু-ওয়ান সাহায্য কেন নেবেন?

কারণ টাকা খরচ করার আগেই নিয়ম জানা একজন মানুষ আপনার পুরো পরিকল্পনা মিলিয়ে দেখেন। বেশিরভাগ ভ্রমণ ছোট কারণে ভেস্তে যায়: পাসপোর্টের মেয়াদ কম, বুকিংয়ের সাথে ভিসা ফর্মের তথ্য না মেলা, অনানুষ্ঠানিক সাইটে ফি দেওয়া, কিংবা ফেরার তারিখ পরীক্ষা বা অফিসের সাথে সংঘাত। নিজে করা সম্ভব — এই পাতার অফিসিয়াল লিংকগুলোই যথেষ্ট — কিন্তু অভিজ্ঞ কেউ পাশে থাকলে পুরো প্রক্রিয়াটা পরিষ্কার, দ্রুত আর ভুলের ঝুঁকি অনেক কম হয়।

Eduvisa-র ওয়ান-টু-ওয়ান সার্ভিসে কী থাকে?

  • একজন নির্দিষ্ট পরামর্শক, যিনি প্রথম কথা থেকে দেশে ফেরা পর্যন্ত আপনার ফাইল দেখেন — একই কথা বারবার বলতে হয় না।
  • আপনার কেসের জন্য আলাদা ডকুমেন্ট চেকলিস্ট — পাসপোর্ট, ছবি, ব্যাংকের কাগজ, বুকিং, চিঠি — জমা দেওয়ার আগে যাচাই করা।
  • বাজেট ও ভ্রমণসূচি পরিকল্পনা, ঢাকা থেকে বাস্তবসম্মত খরচসহ, ছুটি ও ভাড়া বাড়ার সময় মাথায় রেখে।
  • শুধু অফিসিয়াল পোর্টালে আবেদন সহায়তা, প্রতিটি ফি ও রসিদের রেকর্ডসহ।
  • ভ্রমণ ইতিহাসের পরিকল্পনা, যাতে এই সফর ভবিষ্যতের যুক্তরাজ্য, শেনজেন বা স্টুডেন্ট ভিসার আবেদনকে শক্ত করে।

Eduvisa মেম্বারশিপ কার্ড কী?

প্রত্যেক স্টুডেন্ট বা ট্যুরিস্ট ক্লায়েন্ট একটি ব্যক্তিগত ক্লায়েন্ট আইডিসহ Eduvisa মেম্বারশিপ কার্ড পান। কার্ডের ওয়েবসাইট লাইনে লেখা থাকে getbesthost.com/eduvisa: সেখানে ক্লায়েন্ট আইডি দিয়ে ঢুকে আপনার প্রসেসিং স্ট্যাটাস ট্র্যাক করতে পারবেন, সব ডকুমেন্ট এক জায়গায় দেখতে পারবেন এবং যত পেমেন্ট করেছেন তার সবই দেখতে পারবেন।

কাজের অগ্রগতি ও পেমেন্ট কীভাবে যাচাই করবেন?

আমাদের ভেরিফায়েড ক্লায়েন্ট পোর্টাল getbesthost.com/eduvisa-এ ধাপে ধাপে দেখা যায় আপনার কাজ কতদূর এগিয়েছে, আর প্রতিটি পেমেন্ট গ্রহণ ও রেকর্ড হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করা যায়। ফোন করে জিজ্ঞেস না করেই আপনি জানবেন ফাইল কোথায় আছে — পরিবারকেও দেখাতে পারবেন কী কী পেমেন্ট হয়েছে এবং কেন।

সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

২০২৭ সালে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্যের ভিজিট ভিসার ফি কত?

ছয় মাস পর্যন্ত স্ট্যান্ডার্ড ভিজিটর ভিসা £১৩৫ — ২০২৬ সালের ৮ এপ্রিল থেকে এই হার।

কত দিন লাগে?

GOV.UK বলছে বাইরে থেকে আবেদনে সাধারণত বায়োমেট্রিকের তিন সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত আসে।

কত আগে আবেদন করা যায়?

ভ্রমণের তারিখের সর্বোচ্চ তিন মাস আগে।

প্রথম আবেদনেই কি দীর্ঘমেয়াদি ভিসা পাওয়া যায়?

২, ৫ বা ১০ বছরের জন্য আবেদন করা যায়, তবে দীর্ঘ মেয়াদ দেওয়ার আগে কেসওয়ার্কাররা নিয়ম মেনে করা আগের সফরের ইতিহাস দেখতে চান (ট্রাভেল সাইটের তথ্য)।

আগের প্রত্যাখ্যান কি জানাতে হবে?

হ্যাঁ। যেকোনো দেশের সব প্রত্যাখ্যান সততার সাথে জানাতে হবে।

আরও পড়ুন: যুক্তরাজ্যের স্টুডেন্ট ভিসার শর্ত · যুক্তরাজ্যের ভিসা প্রত্যাখ্যানের কারণ · শেনজেন ট্যুরিস্ট ভিসা

যুক্তরাজ্যে যাচ্ছেন? VFS-এর আগে ফাইলটা দেখিয়ে নিন।

ব্যাংক স্টেটমেন্ট আর আমন্ত্রণপত্র নিয়ে আসুন। কেসওয়ার্কারের আগেই আমরা ফাঁক আর অমিলগুলো ধরে দেব।

ফ্রি পরামর্শ বুক করুন →

সম্পর্কিত পোস্ট

বাংলাদেশ থেকে ট্যুরিস্ট ভিসা ২০২৭: মাল্টা, ইতালি, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া ও সাইপ্রাস

বাংলাদেশ থেকে ট্যুরিস্ট ভিসা ২০২৭: মাল্টা, ইতালি, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া ও সাইপ্রাস

মাল্টা, ইতালি, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া ও সাইপ্রাসের ট্যুরিস্ট ভিসা: কোন ভিসা লাগে, কী কাগজ লাগে, ব্যাংক স্টেটমেন্টের ঝুঁকি, ভ্রমণ ইতিহাস ও বাতিলের সাধারণ কারণ।

আরও পড়ুন
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য UK Scholarship ২০২৭: আসল নিয়ম

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য UK Scholarship ২০২৭: আসল নিয়ম

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য UK scholarship ২০২৭: Chevening শেষ ৬ অক্টোবর ২০২৬, GREAT দেয় £১০,০০০, Commonwealth মাসে £১,৩৭৮। যাচাই করা তারিখ ও শর্ত।

আরও পড়ুন
বিমান থেকে নামার পরেও আমরা আছি: ভিসার পরেও Eduvisa যেভাবে পাশে থাকে

বিমান থেকে নামার পরেও আমরা আছি: ভিসার পরেও Eduvisa যেভাবে পাশে থাকে

বেশিরভাগ consultancy ভিসা হলেই কাজ শেষ মনে করে। Eduvisa-র কাজ শুরু হয় আপনি দেশে পৌঁছানোর পর থেকে — সেটল না হওয়া পর্যন্ত।

আরও পড়ুন

আপনার নিজের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন আছে?

একটি ব্লগ পোস্টে যতটুকু বলা যায়, তার বেশি কিছু না। আপনার নির্দিষ্ট পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের সাথে কথা বলুন।

ফ্রি কনসালটেশন বুক করুন